ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬, মার্চ ২০২৬ ৫:৩৩:৩৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মোমবাতি জ্বেলে কালরাতের শহীদদের স্মরণ সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বধ্যভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে ভারতের রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা আজ ২৫ মার্চের কাল রাত: রক্তে লেখা এক ইতিহাস ২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় দিন: প্রধানমন্ত্রী দৌলতদিয়ায় নিয়ন্ত্রণহীন বাস নদীতে, নারী ও শিশুসহ ১৫ লাশ উদ্ধার মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

অভিমান নিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী গীতা কাপুর

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১০:০৫ পিএম, ২৯ মে ২০১৮ মঙ্গলবার

চোখ দেখে রপোলি পর্দার রূপকথা, যেখানে নেই কোনও দুঃখ, নেই জ্বালা। কিন্তু বার্ধক্যের চামড়ায় যখন ভাঁজ পড়ে, তখন বেঁচে থাকাও যেন অভিশাপের মতো হয়ে যায়। এই রূঢ় তত্বটি অবলম্বন করে পাকিজা খ্যাত অভিনেত্রেী গীতা কাপুর চলে গেলেন। 

 

সন্তানদের শেষবার দেখার আপেক্ষা নিয়েই চোখ বুজলেন বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী। ভারতীয় সময় আজ শনিবার সকাল ৯ টা নাগাত মুম্বইয়ের এসআরভি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন নায়িকা।

 

তার মৃত্যুর খরব নিশ্চিত করে বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পন্ডিত ট্যুইটে লেখেন, শেষ পর্যন্ত চলে গেলেন গীতা জি। আমরা তার জন্য আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তবে তাকে হারিয়ে দিল মৃত্যু। গত এক বছর ধরে তিনি তার সন্তানদের মুখ দেখার অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু সেটা হয়নি। আমরা সব সময় তাকে আনন্দে রাখার চেষ্টা করতাম। কিন্তু আজ সকালে তার সাথে সাথে আমরাও হেরে গেলাম।

 

ভারতীয় ছবির সোনালি যুগের এই অভিনেত্রী প্রায় শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন বলে জানা যায়। সে সময় তার দপটে অন্যান্য অভিনেত্রীরা ছিল অসহায়। অথচ আজ তারই ঠিকানা ছিল মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসার টাকা ছিল না, ছিল না কোন শান্তি। আর অভিনেত্রীর এই অবস্থার জন্য দায়ী তার নিজেরই ছেলে। নিজের মাকে হাসপাতালে ফেলে রেখে যেতে যার বিবেকে এতটুকু দংশন হয়নি। এই তো গত বছরের এই ঘটনা সবাইকে বলে বলে চোখের পানি ফেলেছেন গীতাদেবী। কীভাবে ছেলে রাজা তার উপর দিনের পর দিন অত্যাচার চালাত, বারবার তাকে বৃদ্ধাশ্রমে যাওয়ার জন্য জোর করা হত, এর জন্য মারধর করা হত, চারদিনে একবার খেতে দেওয়া হত, দিনের পর দিন ঘরে বন্দি করে রাখা হত। এত অত্যাচারের ধকল যখন সইতে পারেনি, তখন বাধ্য হয়েই তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে ছেলে। হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়। মধ্যে কিছুটা সুস্থ হলেও মানসিকভাবে একেবারেই ভেঙে পড়েছিলেন। তাই হয়তো মনকে প্রশান্ত করার জন্যই সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন মনভরা বেদনা নিয়ে।

 

ছেলে-মেয়েদের ব্যস্ত জীবনে মায়ের কোনও জায়গা নেই। তাই বিগত কয়েক বছর ধরে, গ্ল্যাম গার্ল গীতা কাপুরের শেষ ঠিকানা ছিল বৃদ্ধা আশ্রম। জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত হাসপাতালে আসেননি অভিনেত্রীর কোনও সন্তান। 

 

পরিচালক কমল আমরোহি ‘পাকিজা’ সিনেমায় রাজকুমারের দ্বিতীয় স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন অভিনেত্রীর গীতা কাপুর।