ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪১:০০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা ‘ডেইরি ফার্ম জাতীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত’

সাতটি গাছ ঘরে থাকলে পূরণ হবে অক্সিজেনের অভাব

ফিচার ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৩৯ পিএম, ১৬ জুন ২০২২ বৃহস্পতিবার

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

সাধারণত গাছ দিনে অক্সিজেন দেয়, আর রাতে কার্বন ডাই-অক্সাইড। কিন্তু এমন কিছু গাছ আছে যা রাতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিবর্তে অক্সিজেন দেয়।

সম্প্রতি নাসার এক গবেষণা বলছে, ঘরের অক্সিজেনের অভাব পূরণ করতে পারে বিশেষ কিছু সৌন্দর্যবর্ধক ইনডোর গাছ। এসব গাছ মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে ঘরের বাতাসের প্রায় ৬০ শতাংশ টক্সিন এবং ৫৮ শতাংশ পর্যন্ত দুর্গন্ধ শুষে নিয়ে ঘরের মধ্যে থাকা দূষিত বাতাস পরিষ্কার করতে পারে বলে নাসার গবেষকরা দাবি করেছেন।

আপনার ঘরকে ১০০ ভাগ অক্সিজেনপূর্ণ করতে আপনি লাগাতে পারেন বিশেষ কিছু ইনডোর গাছ। এই গাছগুলো আপনার ঘরকে করে তুলবে অক্সিজেনের ভান্ডার। সেই সঙ্গে ঘরের আভিজাত্য আর সৌন্দর্য দুটোই বৃদ্ধি করবে। এসব গাছের মধ্যে রয়েছে–

১. তুলসী গাছ: তুলসী একটি ঔষধি গাছ। আমরা সবাই এ গাছ চিনি। তাই তুলসীর গুণাগুণ সম্পর্কে বাড়তি বলার কিছু নেই। ঘরের ভেতর তুলসীগাছ রাখলে এটি বিভিন্ন কোনায় ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ করবে। শুধু তাই নয়, কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও সালফার ডাই-অক্সাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস শোষণ করে ঘরের বাতাস পরিশুদ্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে তুলসীর।
 
২. বাঁশ গাছ: বাতাসের দূষিত কণা টোলুইন, ক্ষতিকারক টক্সিন বেঞ্জিন ও ফর্ম্যালডিহাইডকে শোষণ করে ঘরে অক্সিজেন লেভেল প্রচুরভাবে বাড়ায় বাঁশ গাছ।

৩. আইভি: নাসার গবেষকদের মতে এই গাছ মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে ঘরের বাতাসের প্রায় ৬০ শতাংশ টক্সিন এবং ৫৮ শতাংশ পর্যন্ত দুর্গন্ধ শুষে নিতে পারে। যা ঘরে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে।

৪. ফিকাস: বাতাস পরিশুদ্ধ করতে খুবই উপযোগী এই গাছ। খুব বেশি আলো বা পানির প্রয়োজন হয় না। তবে ঘরের বাচ্চা বা পোষ্যকে গাছটির থেকে দূরে রাখবেন। কারণ এই গাছের পাতা শরীরে বিষক্রিয়া করতে পারে।

৫. স্পাইডার প্ল্যান্ট: এই গাছটির বিশেষত্ব হল খুব কম আলোতেও এরা সালোকসংশ্লেষ করতে পারে। ফলে অক্সিজেনের জোগান অব্যাহত রাখে। স্টাইরিন, গ্যাসোলিন জাতীয় টক্সিন বাতাস থেকে শুষে নিতে সক্ষম। একটা গাছ প্রায় ২০০ বর্গ মিটার এলাকার বাতাস পরিশুদ্ধ করে তুলতে পারে।

৬. অ্যালোভেরা: ঘরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে অ্যালোভেরার জুড়ি মেলা ভার। বাংলায় যাকে বলে ঘৃতকুমারী। ঘরের মধ্যে কার্বন-মনো-অক্সাইড, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ফর্মালডিহাইডের মতো ক্ষতিকারক টক্সিন শোষণ করে নেয়। শুনলে অবাক হবেন, ৯টি বাতাস বিশুদ্ধকরণ যন্ত্রের কাজ একাই করতে পারে একটা অ্যালোভেরা গাছ।

৭. স্নেক প্ল্যান্ট: ইন্ডোর প্ল্যান্টের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় স্নেক প্ল্যান্ট। পাতার আকৃতির জন্যই এ ধরনের নাম গাছটির। এক ধরনের বাহারি গাছ। ঘর সাজানোর কাজে আমরা হামেশাই ব্যবহার করে থাকি। নাসা দ্বারা স্বীকৃত এই গাছ টক্সিন শোষণ বা অক্সিজেন সরবরাহ তো করেই, সেই সঙ্গে রাতেও এরা অক্সিজেন ঘরের মধ্যে ছাড়তে থাকে।

খুব আলো বা পানির প্রয়োজন হয় না এবং সহজে মরেও না এই গাছ। তাই বেডরুমে রাখার জন্য সব থেকে আদর্শ গাছ এটা। বিশেষত ট্রাইক্লোরোথাইলিন এবং ফর্মালডিহাইড জাতীয় টক্সিন শুষে বাতাস পরিষ্কার করে এই স্নেক প্ল্যান্ট। 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া