ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬, মার্চ ২০২৬ ২:২৫:০৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মোমবাতি জ্বেলে কালরাতের শহীদদের স্মরণ সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বধ্যভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে ভারতের রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা আজ ২৫ মার্চের কাল রাত: রক্তে লেখা এক ইতিহাস ২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় দিন: প্রধানমন্ত্রী দৌলতদিয়ায় নিয়ন্ত্রণহীন বাস নদীতে, নারী ও শিশুসহ ১৫ লাশ উদ্ধার মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

হাসান আজিজুল হকের জানাযা-দাফন বাদ জোহর

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:২৫ এএম, ১৬ নভেম্বর ২০২১ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের জানাজা আজ মঙ্গলবার বাদ জোহর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবরস্থানে দাফন করা হবে। ছেলে ইমতিয়াজ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দুপুর ১২টায় সকল স্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রঙ্গনে নেওয়া হবে।গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহীতে নিজ বাসায় বার্ধক্যজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।  হাসান আজিজুল হকের স্ত্রী বেগম শামসুন্নাহার ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন।

তার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার তাপু, সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশাসহ শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মহান এই লেখকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


 
তার মৃত্যুতে কবি কুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমার বলেন, হাসান আজিজুল হক সব সময় এ দেশের মানুষ ও সমাজের জন্য কাজ করেছেন। তার মৃত্যু দেশের জন্য বিরাট ক্ষতি। তিনি প্রতিস্থাপনযোগ্য নয়।

ঔপন্যাসিক ও ছোট গল্পকার হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার যবগ্রামে এক সম্ভ্রান্ত এবং একান্নবর্তী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যক হিসেবে পরিগণিত। ষাটের দশকে আবির্ভূত এই কথাসাহিত্যিক তার সুঠাম গদ্য এবং মর্মস্পর্শী বর্ণনাভঙ্গির জন্য প্রসিদ্ধ। তিনি ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে একুশে পদকে ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। এই অসামান্য গদ্যশিল্পী তার  সাহিত্যচর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ‘সাহিত্যরত্ন’ উপাধি লাভ করেন।

১৯৭৩ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত একনাগাড়ে ৩১ বছর অধ্যাপনা করেন। এরপর থেকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে নগরের চৌদ্দপায় এলাকার আবাসিক এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।

২০০৯-এ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার পদের জন্য মনোনীত হন। ২০১৪ এর আগস্ট এ তিনি বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ এর সভাপতি নির্বাচিত হন।