ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:০০:৫৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ক্রিকেট: বিশ্বকাপ নিশ্চিতের পর স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ আবারও ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন সাবিনারা জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ বিয়ের ক্ষেত্রে যে ‘বাধ্যবাধকতা’ বিলুপ্ত করছে ফ্রান্স মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অ্যামনেস্টির চিঠি ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ আজ সারাদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

ইভ্যালির চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:০৭ পিএম, ১৪ জুন ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাছরিনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ১১ লাখ ৩৩ হাজার টাকার চেকের তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন লক্ষ্মীপুরের আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লক্ষ্মীপুর সদর আদালতের বিচারক শামছুল আরেফিন এ আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত অন্যান্যরা হলেন, ইভ্যালির ম্যানেজার ফাইন্যান্স জায়েদ হাসান, সিনিয়র ম্যানেজার ফাইন্যান্স আব্দুল্যা আল মাসুদ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেল।

আদালত সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে মাহমুদুল হক সুজন এসি, টিভি, ফ্রিজ ও মোটরসাইকেল ক্রয়ের জন্য ইভ্যালিতে অগ্রিম ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু পণ্যগুলো দিতে ব্যর্থ হয় ইভ্যালি। ইভ্যালির কর্মকর্তা জায়েদ হাসান ও আব্দুল্যা আল মাসুদের যৌথ স্বাক্ষরে মিডল্যান্ড ব্যাংক হিসাবে ১১ লাখ ৩৩ হাজার টাকার ৩টি চেক রেডেক্স কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সুজনের কাছে পাঠায়। এতে চেকগুলো নগদায়নের জন্য তিনি গত ১৩ জানুয়ারি নিজের ওয়ান ব্যাংক হিসাবে জমা দেন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকার পৃথক চেক ছিল।

ওয়ান ব্যাংক থেকে চেকগুলো নগদায়নের জন্য মিডল্যান্ড ব্যাংকে পাঠালে জানা যায় ইভ্যালির হিসাব বন্ধ রয়েছে। এতে ডিজঅনারপূর্বক চেকগুলো ফেরত আসে।

১০ ফেব্রুয়ারি সুজন আইনজীবীর মাধ্যমে পাওনা টাকার জন্য অভিযুক্তদের লিগ্যাল নোটিশ করে। কিন্তু তারা পাওনা টাকা পরিশোধ ও চেকগুলোও ফেরত নেয়নি। এতে ইভ্যালির ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকা ও হিসাব বন্ধ থাকা সত্ত্বেও চেক প্রদান করায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চলতি বছর ২৭ ও ২৮ মার্চ ১৮৮১ সালের এন.আই.এ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলো আমলে নিয়ে বিচারক সমন জারি করেন।

মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য আসামিদের নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু তারা আদালতে উপস্থিত হননি। পরে আদালতের বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন। মামলার বাদী সুজনের আইনজীবী নিক্সন পিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।