ঢাকা, শুক্রবার ২৭, মার্চ ২০২৬ ১৭:১৪:১৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেড় ঘণ্টা আকাশে চক্কর, অল্পের জন্য রক্ষা মমতার বিমান ঢাকা বিমানবন্দরে ২৮ দিনে ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল রাজধানীতে সর্দি-কাশি-জ্বরের প্রকোপ দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম শপথ নিলেন নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ইইউ বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমল ২৫% কমছে মাছ-মুরগির দাম, শাক-সবজির বাজারে স্বস্তি আমার এলাকায় ওয়াজো হবে, কীর্তন-বাউল গানও হবে: রুমিন ফারহানা

ঈদযাত্রার ১২ দিনে প্রাণ গেল ২৪১ জনের

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০২ পিএম, ২৭ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। মাত্র ১২ দিনের প্রাথমিক হিসাবেই দেখা গেছে, বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ২৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সরকারি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যে দেখা যায়, এই সময়ে ২০৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪২ জন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৪৪১ জন আহত হয়েছেন। যদিও সাধারণত ঈদযাত্রা পুরো ১৫ দিনকে হিসেবে ধরা হয়, এবারের পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনও আসেনি।

প্রতীকী দুর্ঘটনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: ১৮ মার্চ রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে অন্তত ২ জন নিহত হয়। একই দিন কুমিল্লায় একটি যাত্রীবাহী বাস রেললাইনে উঠে ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে ১২ জন নিহত ও ২৩ জন আহত হন। ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়ে ২৬ জন নিহত হয়; উদ্ধার কার্যক্রমে আরও মরদেহ পাওয়া গেছে।

সড়ক নিরাপত্তা সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদের সময় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বেপরোয়া গতি, চালকের ক্লান্তি এবং অদক্ষতা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৪২ শতাংশ দুর্ঘটনা বেপরোয়া গতির কারণে ঘটে। এছাড়া ফিটনেসবিহীন যানবাহন, নাজুক সড়কের অবস্থা এবং দুর্বল তদারকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্ঘটনা রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা, চালকের দক্ষতা বৃদ্ধি, যানবাহনের নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত করা, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং চালক ও যাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সতর্কতা কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে যদি এসব ব্যবস্থা কার্যকর না হয়, ঈদ ও অন্যান্য ছুটির সময় দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেতে পারে।