এ মাসের মধ্যেই লোডশেডিং সমাধান হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:৪৩ পিএম, ৬ জুন ২০২৩ মঙ্গলবার
সংগৃহীত ছবি
এ মাসের মধ্যেই লোডশেডিং কমাতে পারবেন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। একইসঙ্গে দেশজুড়ে চলমান লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখপ্রকাশ করে সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, লোডশেডিং বেশিদিন থাকবে না। এ মাসের মধ্যে সমাধান করতে পারবো।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের মঞ্জুরি দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের বিষয়ে সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
এসময় চলতি অর্থবছরে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের জন্য ৩২ কোটি ৪৬ লাখ চার হাজার টাকা মঞ্জুরি দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তার এ দাবিতে ছাঁটাই প্রস্তাব দেন ১০ জন সংসদ সদস্য। তবে, আলোচনায় অংশ নেন ছয়জন। বাকিরা অনুপস্থিত ছিলেন।
ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, করোনা আমাদের অনেক ক্ষতি করে দিয়েছে। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে, মেমোরি লস (অল্পতেই ভুলে যাওয়া) হয়েছে। আমরা খুব দ্রুত ভুলে যায়। আগে ১৬ ঘণ্টা, ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকতো না। সেখান থেকে আমরা শতভাগ বিদ্যুতায়ন করেছি।
তিনি বলেন, বর্তমানে দিনের বেলায় ১২ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারি। পিক আওয়ার সন্ধ্যায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি। দুই থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং বর্তমানে চলছে। আরেক সংসদ সদস্য বলছেন, আমরা প্রচার করছি না। কিন্তু আমি বারবার আসছি, প্রচার করছি। ওয়েবসাইটে দিয়েছি, বিজ্ঞাপন প্রচার করছি। আমরা কষ্টটা সবার সঙ্গে ভাগ করতে চেয়েছি। সবাইকে জানিয়েছি কোথায়, কীভাবে হবে। এবং মিড়িয়াতে বলা হয়েছে বারবার। লোডশেডিং বেশিদিন থাকবে না।
বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নসরুল হামিদ বলেন, আমরা সময়মতো কয়লার জন্য এলসি করতে পারিনি। বৈশ্বিক ব্যবস্থা ও বর্তমানে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সবকিছুর ওপর চিন্তা করে কয়লা আনতে পারিনি। যার কারণে পায়রার এ অবস্থা। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্ল্যান্ট চালু করে দেবো।
তিনি বলেন, আমাদের নতুন পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু হবে, পায়রা চালু হবে। রামপাল চলছে। এসএস পাওয়ার চালু হয়ে যাবে। আমরা ভারত থেকে বিদ্যুৎ আনছি। আরও নিয়ে আসবো। কিন্তু কিছু কিছু জায়গা আমাদের যে সমস্যা হচ্ছে সেটা হচ্ছে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় অর্থের জোগানে সমস্যা হয়েছে। এটা বেশি দিনের জন্য না। আমরা মনে করি, ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। সবাইকে একটু ধৈর্য ধরুন।
বর্তমানে দুই থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং আছে। আমরা এ তথ্য বার বার প্রচার করছি। ওয়েবসাইটে দিয়েছি। বিজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়েছি। আমরা কষ্টটা সবার সঙ্গে ভাগ করতে চেয়েছি। সবাইকে জানিয়েছি কোথায় কীভাবে হয়।
মধ্যরাতে বিশাল বিদ্যুতের ব্যবহার হয় জানিয়ে তিনি বলেন, এটা আগে ছিল না। অটোরিকশা সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ নিয়ে যায়। আমরাতো বন্ধ করেনি। সেগুলোও চালু রেখেছি। সাধারণ মানুষ যাতে সেটা ব্যবহার করতে পারে। ৪০ লাখের মতো অটোরিকশা আছে দেশে। আমরা তাদের ব্যবহার করার জন্য উৎসাহ করছি। একটু ধৈর্য ধরুন। এ মাসের মধ্যে সমাধান করতে পারবো।
এর আগে ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, লোডশেডিং যেভাবে বাড়ছে তাতে জনরোষের সৃষ্টি হতে পারে।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, আমাদের ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দরকার, কিন্তু করে ফেলেছি ২৬ হাজার মেগাওয়াট। আর আজকে উৎপাদন হচ্ছে ৭ হাজার মেগাওয়াট।
জাতীয় পার্টির আরেক সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, এখন কমবেশি এক হাজার ৫০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। এ লোডশেডিং আরও বাড়বে। বিল পরিশোধের কারণে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছেন। বিদ্যুৎ বিল তো মানুষের বাকি নেই। গ্রাহকরা তো সবাই বিল দিচ্ছেন। তাহলে এ বিল কেন বাকি থাকছে? একটা হতে পারে ক্যাপাসিটি চার্জ। গণমাধ্যমে দেখেছি ৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ এসেছে। ২০ হাজার কোটি টাকা নাকি এখনো বাকি আছে। কেন এত ক্যাপাসিটি চার্জ হয়? কেন চুক্তিটা এভাবে করা হলো যে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতেই হবে। কেন বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে খাম্বা ও সঞ্চালন লাইন করা হলো না।
শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, বিএনপির আমলে বিদ্যুৎ ছিল না, খাম্বা ছিল। এখন বিদ্যুৎ আছে খাম্বা নেই। ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। মানুষ গরমে কষ্ট পাচ্ছে। মোগল আমলে মানুষ যে কষ্টে ছিল এখন তার থেকে বেশি কষ্টে আছে।
তিনি বলেন, ১৫৩ টি কেন্দ্রের সবগুলোতে কম উৎপাদন হচ্ছে। সরকারের ধারাবাহিক সাফল্যের একটি জায়গা ছিল বিদ্যুৎ। সেটি একেবারেই নষ্ট হয়ে গেলো। এর থেকে তো আমি মনে করি জনরোষের সৃষ্টি হবে।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য রওশন আরা মান্নান বলেন, দেশের জ্বালানী নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ বিভাগ হুমকির মধ্যে পড়েছে। কবে যে আবার লোডশেডিং কমবে! এখন যেভাবে বিদ্যুৎ সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আগামী ১০ বছর পরে আমাদের গ্যাসও শেষ হয়ে যাবে।
জাতীয় পার্টির আরেক সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। বিদ্যুৎ না থাকলে দেশের অগ্রগতি থেমে যাবে। কৃষি উৎপাদন কমে যাবে। সব জায়গায় স্থবিরতা তৈরি হবে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী গোটা দেশে বিদ্যুৎ দিয়েছেন। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু নেই। হঠাৎ করে কী হলো যে বিদ্যুৎ চলে গেলো। আগেই যদি কয়লা বা ডিজেল আমদানি করা যেত আজকের এ স
মাদের মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। তড়িৎ গতিতে আমাদের কয়লা আমদানি করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালু করতে হবে।
- কাল থেকে হজের ভিসা ইস্যু শুরু করবে সৌদি আরব
- বাংলাদেশকে ছাড়াই প্রথমবার শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
- পোস্টাল ভোট: ১২ ফেব্রুয়ারি কখন-কীভাবে গণনা হবে
- শাহবাগ-ইন্টারকন্টিনেন্টালে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা
- মা-বোনেরা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন, নিরাপত্তা আমরা দিবো: ফখরুল
- আজ শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- দুই দিন বন্ধ থাকবে দেশের সব মার্কেট ও শপিংমল
- আজ ঢাকার তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই
- দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৭৬৪০ টাকা
- গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা মৃত্যুর কাছে হেরে গেল
- বিশ্বে দ্বিতীয় দূষিত শহর ঢাকা, শীর্ষে কায়রো
- ছোট গল্প: ওরা ঝগড়া ভুলে বন্ধু হলো
- লাঞ্চ, সুস্থ থাকার ছোট কিন্তু কার্যকর টিপস
- ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন এ বছর হতে পারে: মাচাদো
- দেশে পৌঁছেছে চার লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট
- একজনের সংস্থা ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক
- ছোট গল্প: ওরা ঝগড়া ভুলে বন্ধু হলো
- লাঞ্চ, সুস্থ থাকার ছোট কিন্তু কার্যকর টিপস
- শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন তথ্য
- চট্টগ্রামের বাজারে নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি নেই
- বাংলাদেশকে ছাড়াই প্রথমবার শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
- আজ শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ
- সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে যেসব এলাকায়
- কলা খাওয়ার ফলাফল: ক্ষুদ্র ফসল, বিশাল উপকারিতা
- নিজের বিয়ে নিয়ে যা বললেন সাফা কবির
- দেশে পৌঁছেছে চার লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট
- আজ ঢাকার তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই
- পোস্টাল ভোট: ১২ ফেব্রুয়ারি কখন-কীভাবে গণনা হবে
- হজযাত্রীদের ভিসা ইস্যুর তারিখ জানাল সৌদি আরব
- পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি, সরকারি কর্মচারীরা যমুনার দিকে











