ঢাকা, রবিবার ০১, আগস্ট ২০২১ ১০:১৫:৩৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন আজ লকডাউনে আটকেপড়া পোশাক শ্রমিকরা চাকরি হারাবে না দেশে একদিনে করোনায় ২১৮ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৩৬৯ ডেল্টার নতুন ধরনে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম শিল্পকারখানা খোলার খবরে ঢাকামুখী মানুষের ঢল হেলেনার বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় আরেক মামলা

ওষুধ নয়, নেচার থেরাপির মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:১১ পিএম, ১১ জুলাই ২০২১ রবিবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরকে সুস্থ রাখার উপায় হল নেচার থেরাপি। স্বাস্থ্য শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতা নয়, স্বাস্থ্য হল ব্যক্তির সামাজিক, মানসিক ও শারীরিক গুণাবলির এমন একটি সমন্বয়, যা তাকে পরিপূর্ণ জীবনযাপনে সহায়তা করে। স্বাস্থ্য মানুষের জীবনের সব থেকে বড়ো সম্পদ। সুস্থ শরীরের জন্য কেবল শারীরিক ভাবেই নয়, মানসিক ভাবেও ফিট থাকা প্রয়োজন। আপনার জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন করে আপনি নিজেকে পুরোপুরি সুস্থ রাখতে পারেন। আমাদের মন ভালো থাকলেই শরীর ভালো থাকে। দেহের সুস্থতার থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। তাই শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য সচেষ্ট হতে হবে আপনাকেই। আর তার জন্য বাড়তি কিছু করার দরকার নেই। প্রতি দিনের কাজগুলো একটু নিয়ম মেনে করলেই আপনি সুস্থবোধ মনে করবেন। আসুন জেনে নিই সুস্থ থাকার উপায়...।

চাই ভালো ঘুম:
সুস্থ শরীরের জন্য ভালো ঘুম হওয়া খুব জরুরি। যে মানুষেরা রাতে ঠিকমতো ঘুমোতে পারছেন না তারা প্রায়শই কোনো না কোনো রোগের সমস্যায় পড়ে যান। ভালো ঘুম শরীর এবং মন উভয়কেই প্রভাবিত করে এবং অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস করে। আপনার যদি ঠিকমতো ঘুম না হয়, তবে রাতে কফি খাওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ জেগে থাকা এড়িয়ে চলুন।

করুন আসন বা ব্যায়াম:
সুস্থ ও ফিট থাকতে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শরীরচর্চা। শরীর সুস্থ রাখার আর এক উপায় হল আসন ও প্রাণায়াম। যদি আমরা প্রত্যেকেই কিছু প্রাণায়াম অভ্যাস করি, তা হলে অনেক রোগবিসুখ থেকে বাঁচতে পারি। কারণ, শরীরে প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেনের জোগান দেয় সঠিক পদ্ধতির প্রাণায়াম।

স্ট্রেস থেকে দূরে থাকুন:
স্ট্রেস শরীরের ওজন বাড়ানো থেকে শুরু করে অনেক মানসিক অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ায়। আপনি চাপ কমাতে হাঁটতে যেতে পারেন। শ্বাসের ব্যায়াম এবং ধ্যানও চাপ হ্রাস করতে সহায়তা করে।

হাঁটাচলা করুন:
আমাদের অনেকেই প্রচুর সময় বসে থেকে কাটাই। এটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো নয়। আমাদের রানার হতে হবে না। যেটা করতে হবে সেটা হল শরীরটাকে একটু নাড়ানো, মানে হাঁটাচলা করা।

সঠিক খাবার খান:
নজর রাখতে হবে আমাদের খাবারের দিকেও। শরীরে গ্যাস-অম্বল হয়ে যাবে, এমন খাবার বর্জন করাই উচিত। মাছ, মাংস, ডিম, ভাত, রুটির পরিমাণ কমিয়ে, দুধ, ফল, শাকসবজি  খেতে হবে। কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয়, প্রথমে সে দিকে খেয়াল রাখা উচিত। ফাইবার জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। প্রতি দিন প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া উচিত। সারা দিনে চার থেকে পাঁচ লিটার জল খাওয়ার প্রয়োজন। ফল, খেজুর, কিসমিস, আটার রুটি, বেল, শাকসবজি খাওয়া দরকার নিয়ম করে।

নেশা বর্জন করুন:
সুস্থ থাকার একটা গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল নেশা বর্জন। সুস্থ জীবন অতিবাহিত করতে হলে নেশা বর্জন করা উচিত। ধুমপান, মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে। মনে রাখবেন অতিরিক্ত মদ্যপান লিভারের ক্ষতি করে এবং বিভিন্ন প্রকার ক্যানসারের কারণ হয়ে ওঠে।

মনের যত্ন নিন:
শরীরের পাশাপাশি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যেরও সমান যত্ন নেওয়া উচিত। আপনি যত মানসিক ভাবে সুস্থ থাকবেন শারীরিক ভাবে আপনি ততই ফিট থাকবেন। আপনার আবেগের উপর ভালো নিয়ন্ত্রণ রাখা গুরুত্বপূর্ণ। আবেগ এবং বিবেকের সমন্বয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শিখুন। মনের প্রতি যত্নশীল হোন। মন কী চায় তা ভেবে দেখুন। মনের বিরুদ্ধে কাজ করতে যাবেন না।

প্রতি দিন হাসুন:
সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত আনন্দের–এটা মনে রাখতে হবে। এটাকে দৈনন্দিন টুকিটাকি কাজের অংশ হিসেবে দেখলে হবে না। এখানে মানসিকতার একটা পরিবর্তন প্রয়োজন। ড. হারপার বলেন, ‘এ জন্যে ইতিবাচক মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ আর আনন্দে থাকার সব চেয়ে বড়ো উপায় হল হাসিখুশি থাকা। শরীর সুস্থ রাখতে হলে হাসুন, একেবারে দিলখোলা হাসি।

প্রার্থনা করুন:
আপনার ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনায় মনোযোগী হোন। নিয়মিত প্রার্থনা করলে তা আপনার মন ও শরীর ভালো রাখবে। মিলবে মানসিক প্রশান্তি। এতে করে আপনি আরও অনেক ভালো কাজে উৎসাহী হবেন। নিজেকে ভালো রাখার এটি অন্যতম উপায়।