ঢাকা, সোমবার ১০, মে ২০২১ ১:৪৯:১৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারছেন না দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৫৬ মার্কেটে মানুষের ঢল, নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই একটা ঈদ বাড়িতে না করলে কী হয়: প্রধানমন্ত্রী ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েনের পরও ঘরমুখো মানুষের ঢল কাবুলে বিস্ফোরণে নিহত ৫৫ জনের অধিকাংশই ছাত্রী আজ মা দিবস, মাগো…ওগো দরদিনী মা

গরম থেকে বাঁচতে তরমুজ খান, কমবে রক্তচাপ

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:৪৬ পিএম, ২ মে ২০২১ রবিবার

গরম থেকে বাঁচতে তরমুজ খান, কমবে রক্তচাপ

গরম থেকে বাঁচতে তরমুজ খান, কমবে রক্তচাপ

গরমের দাবদাহে পুড়ছে সমগ্র বাংলাদেশ। এর মধ্যে চলছে রমজান মাস। রোজা রেখে এই গরম থেকে কীভাবে নিজেকে বাঁচাবেন ভেবে দেখেছেন? তাই আর সময় নষ্ট না করে বাজারে যান আর তরমুজ কিনে আনুন।

গরমে সূর্যের তাপ এবং সেই সঙ্গে অত্যধিক ঘাম—সব মিলিয়ে শরীরের নাজেহাল অবস্থা। দেখা দিতে পারে নানা রোগ। এই সব থেকে বাঁচতে সাহায্য করে বিশেষ কিছু খাবার, যা পেটও ভর্তি রাখে এবং শরীর রাখে হালকা ও তরতাজা। এমনই ফল তরমুজ।

প্রিয় পাঠক, গরমে নিয়মিত তরমুজ খেলে কমে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও। তরমুজে মজুত পট্যাশিয়ামই নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তচাপ। জানেন কি তরমুজে ৯৪ শতাংশ জল রয়েছে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।

এই দুইয়ের সঙ্গে রয়েছে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান—লাইকোপেন।

এটি এক ধরনের উদ্ভিতজাত পিগমেন্ট যা হৃদরোগ থেকে আপনাকে বাঁচাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে এতে মজুত সাইট্রুলাইন রক্ত চলাচল ভালো করে।

এই গরমে প্রতিদিন নিয়ম করে ইফতারে তরমুজ রাখুন। সালাদ এবং শরবত হিসেবেও খেতে পারেন এই ফল।

তবে তরমুজ ভালো বলেই যখন তখন অনেক পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। মনে রাখবেন উপকারী খাবারও অতিরিক্ত খেলে বিপদ!

তরমুজের ইতিহাস:

আজ থেকে প্রায় ৪ হাজার বছর আগে জন্ম তরমুজের। তরমুজ (Watermelon) (Citrullus lanatus (কার্ল পিটার থুনবার্গ) একটি গ্রীষ্মকালীন সুস্বাদু ফল। ঠান্ডা তরমুজ গ্রীষ্মকালে বেশ জনপ্রিয়। এতে প্রচুর পরিমাণ জল থাকে। এই ফলে ৬% চিনি এবং ৯২% জল এবং অন্যান্য উপাদান ২%। এটি ভিটামিন এ জাতীয় ফল।

প্রত্নতাত্ত্বিক এবং প্যালেওবোটানিস্টদের মতে, তরমুজের সাংস্কৃতিক বিভিন্ন জাতীয় সিট্রুলাস প্রজাতির ক্ষুদ্র বুনো প্রতিনিধিদের সাথে প্রচলিত শেকড় রয়েছে, যা এখনও দক্ষিণ আফ্রিকা, মোজাম্বিক এবং জাম্বিয়া, নামিবিয়া এবং বোটসওয়ানা প্রান্তরে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এই দেশগুলিতেই তরমুজগুলির জিনগত রূপগুলির সর্বাধিক সংখ্যক প্রকাশিত হয়েছিল, এতে তিক্ত, তাজা এবং সামান্য মিষ্টি মাংসযুক্ত ফল পাওয়া যায়।

তারপরেই তরমুজের ইতিহাস শুরু হয়েছিল, খাদ্যে ব্যবহৃত সংস্কৃতি হিসাবে। যদি উচ্চ গ্লাইকোসাইড উপাদানযুক্ত তিক্ত উদ্ভিদগুলি যদি বিনা বাধে ফেলে রাখা হয় তবে ৪ হাজার বছর আগে আরও ভোজ্য প্রজাতি আফ্রিকার উত্তরে এসেছিল এবং নীল উপত্যকায় বসবাসকারী লোকদের আগ্রহী ছিল। এখান থেকে সংস্কৃতি, যেমন তরমুজের ইতিহাস বলেছে, ভূমধ্যসাগর, মধ্য প্রাচ্য এবং এর বাইরেও ভারত এবং চীন পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।পশ্চিম আফ্রিকা, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাকি মিসর—কোনটি তরমুজের জন্মভূমি, সেটি নিয়ে বেশ বিতর্ক রয়েছ।

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বাংলা যে দেশের দ্বিতীয় অফিশিয়াল ভাষা সেটি সিয়েরালিওন। এই সিয়েরালিওন আফ্রিকার যে অঞ্চলে অবস্থিত সেই পশ্চিম আফ্রিকা তরমুজের জন্মভূমি হিসেবে বিখ্যাত—এ রকম একটি জনপ্রিয় মত চালু আছে।

তবে নাইজেরিয়া, নাইজার, সেনেগাল, আইভরি কোস্টসহ পশ্চিম আফ্রিকার ১৭টি দেশের কোনটি তরমুজের আদিভূমি, তা বলা মুশকিল। কিন্তু ইসরায়েলের গবেষক হ্যারি প্যারিস অনুমান করেছেন, প্রাচীন মিসরও তরমুজের আদিভূমি হতে পারে। প্রাচীন মিসরীয়দের তরমুজ চাষের ছবি দেখে তিনি বলতে চেয়েছেন, মিসরীয়দের কৃষির ইতিহাস প্রায় চার হাজার বছরের পুরোনো এবং এটি পশ্চিম আফ্রিকার কৃষির চেয়েও প্রাচীন। প্রাচীন মিসরের দ্বাদশ রাজবংশের রাজা আমেনমহাট–১–এর শাসন আমলে ১৯৯১-১৯৬২ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে তরমুজের দেখা পাওয়া যায়।

এ ছাড়া তুতেনখামেনের সমাধিমন্দিরের গায়ে যে চিত্র রয়েছে, সেখানেও তরমুজের চিত্র দেখা যায়। প্যারিস জানান, উত্তর আফ্রিকার স্থানীয় ‘গুরুম’ (Citrullus lanatus var. citroides) আধুনিক তরমুজের পূর্বপুরুষ।