ঢাকা, রবিবার ২৬, মে ২০২৪ ২১:২৮:৪০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৮ লাখের বেশি মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছেন যেসব জেলায় ১২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা ঘূর্ণিঝড় রেমাল: দুই সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দুপুরে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১০ নির্দেশনা ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১০ ফুট জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা ১৮ জেলায় আঘাত হানতে পারে রেমাল: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

চলে গেলেন ১৯৭৮ বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনার কোচ মেনোত্তি

খেলাধুলা ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৪২ পিএম, ৬ মে ২০২৪ সোমবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

১৯৭৮ সালে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনা দলের কোচ সিজার লুইস মেনোত্তি মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশন (এএফএ) এক বিবৃতিতে মেনোত্তির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 
৭৮ সালের বিশ্বকাপ জয়কে এখনো আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও আনন্দদায়ক জয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর সেই জয়ের মূল কারিগর ছিলেন মেনোত্তি।
দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন মেনোত্তি। লোকচক্ষুর অন্তরালেও ছিলেন দীর্ঘদিন। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে রক্তশূন্যতায় ভুগে প্রায় মাসখানেক হাসপাতালে ভর্তিও ছিলেন।
আর্জেন্টিনার ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালের হয়ে ১৯৬০ সালে খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মেনোত্তি। বোকা জুনিয়র্সের হয়ে জিতেছেন আর্জেন্টিনার শীর্ষ লিগ। ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব নিউইয়র্ক জেনারেলস ঘুরে পরের বছর যোগ দেন ব্রাজিলের সান্তোসে। ব্রাজিলের কিংবদন্তী পেলের সতীর্থ ছিলেন সেখানে।
এএফএ এক বিবৃতিতে আর্জেন্টাইন এই সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী কোচের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে।
চেইন স্মোকার হিসেবে পরিচিত মেনোত্তির ৩৭ বছরের কোচিং ক্যারিয়ার ছিল বেশ বর্ণাঢ্য।
লিওনেল মেসির জন্মশহর রোজারিওতে ১৯৩৮ সালে মেনোত্তির জন্ম। খেলোয়াড়ি জীবনে স্ট্রাইকার পজিশনে খেলা মেনোত্তি ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৮ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ১১ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেন। খেলা ছাড়ার পর ৩৭ বছরের কোচিং ক্যারিয়ারে ১১টি ক্লাব ও দুটি দেশের জাতীয় দলের কোচের ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত ছিলেন নিজের দেশ আর্জেন্টিনার কোচের দায়িত্বে। ১৯৯১-৯২ সালে সামলেছেন মেক্সিকো জাতীয় দলকে। 
আর্জেন্টিনাকে ঘরের মাঠে ১৯৭৮ বিশ্বকাপ জিতিয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন মেনোত্তি। ছিপছিপে গড়নের জন্য ‘এল ফ্লাকো’ তকমা পাওয়া মেনোত্তি  আর্জেন্টিনাকে প্রথম বিশ্বকাপ জেতানোর পরের বছর অনূর্ধ্ব-২০ দলকেও উপহার দিয়েছেন যুব বিশ্বকাপ। জাপানে ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত সেই টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন কিংবদন্তী দিয়েগো ম্যারাডোনা। গোল্ডেন বল জিতে সেই টুর্নামেন্ট দিয়ে নিজের আগমনী বার্তা দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক। ফাইনালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-২০ দল। মেনোত্তির হাত ধরে বড়দের বিশ্বকাপের মতো যুব বিশ্বকাপও সেবারই প্রথম জিতেছিল আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জেভিয়ের মিলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেনোত্তির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
মেনোত্তির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম গ্রেট আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।’
১৯৮৩ ও ৮৪ সালে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনাকেও কোচিং করিয়েছেন মেনোত্তি। তার অধীনে বার্সেলোনা ঐ সময় কোপা ডেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জয় করেছে। বার্সেলোনা পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে মেনোত্তির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তার আত্মার শান্তি কামনা করা হয়েছে।