পাবদা মাছ চাষ করে সফলতা পেয়েছে সাতক্ষীরা মৎস্য চাষীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১২:৪২ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২৪ শনিবার
সংগৃহীত ছবি
পাবদা মাছ চাষ করে সফলতা পেয়েছে সাতক্ষীরার মৎস্য চাষীরা। মাত্র ৫ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বিক্রির উপযুক্ত হওয়ায় বছরে দুই বার চাষ করা যায় এ মাছ।
বিদেশেও চাহিদা রয়েছে এ মাছের। এছাড়া খরচের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় অন্য মাছ চাষের তুলনায় লাভও বেশি এ মাছ চাষে। ফলে এ মাছ চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে সাতক্ষীরার মৎস্য চাষীদের।
মৎস্য চাষীরা জানান, অল্প সময়ে অধিক উৎপাদন হওয়ায় পাবদা মাছ চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে তাদের। একটি নির্দিষ্ট জমিতে সাদা মাছ চাষ করে যে উৎপাদন পাওয়া যায় সেই একই পরিমান জমিতে পাবদা মাছ চাষ করলে সাদা মাছের তিনগুনেরও বেশি মাছ উৎপাদন পাওয়া যায়। তবে ভালো উৎপাদন পেতে হলে সাদা মাছের তুলনায় পাবদা মাছের একটু বাড়তি পরিচর্যা করতে হয়। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাবদার সাথে সাদা মাছের মিশ্র চাষের ফলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান এখানকার মৎস্য চাষীরা। অন্য মাছের তুলনায় পাবদা মাছের উৎপাদন বেশি আবার একই জমিতে বছরে দুই বার চাষ করা যায় বলে এ মাছ চাষ করে কৃষকরা লাভবানও হচ্ছেন। শুধু দেশের বাজারেই নয় বিদেশেও এর চাহিদা রয়েছে ফলে চিংড়ির পাশাপাশি পাবদা মাছ রপ্তানী করে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধিতেও এটি গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খানপুর গ্রামের নাজমুল হুদা জানান, তিনি ২০১৮ সালে লেখাপড়া ছেড়ে মৎস্য ব্যবসা শুরু করেন। ৬ বিঘা জমিতে পাবদা মাছ চাষ শুরু করে এখন ৪টি খামারের মালিক তিনি। এ তরুণ উদ্যোক্তা পাবদা মাছ চাষ করে এখন সাড়া ফেলেছেন। তার সফলতা দেখে অনেকেই মৎস্য উদ্যোক্তা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি। সারা দেশে সরবরাহের পাশাপাশি ভারতের বাজারও দখল করেছে তার খামারের পাবদা মাছ। খেতে সুস্বাধু হওয়ায় দেশসহ বিদেশেও চাহিদা রয়েছে এ মাছের। আকার ভেদে পাবদা মাছ ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি আরো জানান। আর তাই চাকুরির পিছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হয়ে সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি।
- ঢাকায় গরম কমতে পারে, আট বিভাগে ভারী বৃষ্টি হতে পারে
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
- এবার হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- হাম ও উপসর্গে ৫ শিশুর প্রাণহানী
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক পতন
- রাজধানীজুড়ে মশার দাপট, ডেঙ্গু ঝুঁকিতে ডিএসসিসির ৬৩ ওয়ার্ড
- টেলিভিশনে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব পেল যারা
- যুক্তরাষ্ট্রের ভিসায় নতুন নিয়ম: যে নির্দেশনা দিলো ঢাকার দূতাবাস
- পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ তিনজন নিহত
- খেলাপি ঋণ অর্থনীতিকে প্রচণ্ড চাপে ফেলছে: ড. ফাহমিদা
- বাস-অটোভ্যান সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩
- ফ্রেঞ্চ ওপেনে ইতিহাস গড়ার পথে খয়ালিনস্কা
- অবশেষে ‘খোঁজ’ মিলল দুবাই রাজপরিবারের সাবেক পুত্রবধূর
- ঈদ-পরবর্তী স্বস্তি, তবু মাছের বাজারে আগুন
- আজ দেশের ৮ বিভাগেই বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
- খেলাপি ঋণ অর্থনীতিকে প্রচণ্ড চাপে ফেলছে: ড. ফাহমিদা
- যুক্তরাষ্ট্রের ভিসায় নতুন নিয়ম: যে নির্দেশনা দিলো ঢাকার দূতাবাস
- আবারও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস ডুবি
- রাজধানীজুড়ে মশার দাপট, ডেঙ্গু ঝুঁকিতে ডিএসসিসির ৬৩ ওয়ার্ড
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক পতন
- ঈদ-পরবর্তী স্বস্তি, তবু মাছের বাজারে আগুন
- হাম ও উপসর্গে ৫ শিশুর প্রাণহানী
- অবশেষে ‘খোঁজ’ মিলল দুবাই রাজপরিবারের সাবেক পুত্রবধূর
- ফ্রেঞ্চ ওপেনে ইতিহাস গড়ার পথে খয়ালিনস্কা
- পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ তিনজন নিহত
- টেলিভিশনে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব পেল যারা
- বাস-অটোভ্যান সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩
- আজ দেশের ৮ বিভাগেই বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
- এবার হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন








