ঢাকা, মঙ্গলবার ১০, মার্চ ২০২৬ ২০:০২:০৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ট্রাম্প-পুতিনের ঘণ্টাব্যাপী ফোনালাপ, যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ইরানের স্কুল লক্ষ্য করে ফের মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ‘সিটি ব্যাংক মন জানালা আলোকিত নারী সম্মাননা’ পেলেন পাঁচ গুণী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রেফতারকারীদের বিষয়ে ভারতের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে উইমেন’স এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১৮ এএম, ১০ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

দেশের নারীপ্রধান দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য চালু হওয়া ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) পৌঁছে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। অর্থ সরাসরি পরিবারের ব্যাংক বা মোবাইল হিসাবের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে সুবিধাভোগীরা সহজে ব্যবহার করতে পারেন।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড সরকারের দীর্ঘদিনের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ। তিনি বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার সুফল যেন সবার ঘরে পৌঁছায়, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। সুবিধাভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে এবং কোনো রাজনৈতিক প্রভাব রাখা হয়নি।”

প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, “এই কর্মসূচি নারী ক্ষমতায়নের সঙ্গে সঙ্গে দরিদ্র পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। ভবিষ্যতে আরও বেশি পরিবারকে এই সুবিধা দেওয়া হবে।”

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, কর্মসূচির কার্যকারিতা মূল্যায়ন শেষে প্রয়োজনে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে দেশের দরিদ্র নারীপ্রধান পরিবারগুলো আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতভাবে পান।