ঢাকা, সোমবার ২৩, মার্চ ২০২৬ ১৬:১৬:২৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সব পেট্রোল পাম্প সাত দিন ছুটির পরে কাল খুলছে অফিস-আদালত ইরানসহ চার দেশের সঙ্গে ইইউর কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

বিশ্বে সাড়ে ৩৪ কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:০৩ এএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সাড়ে ৩৪ কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান ডেভিড বিসলি। এ ছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দেশে দেশে আরও ৭ কোটি (৭০ মিলিয়ন) মানুষকে অনাহারের কাছাকাছি ঠেলে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ডেভিড বেসলি এ সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বের যে সাড়ে ৩৪ কোটি মানুষ খাদ্য নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, তারা ৮২টি দেশের নাগরিক। দেশগুলোতে ডব্লিউএফপির কার্যক্রম রয়েছে। সংখ্যাটা ২০২০ সালে করোনা মহামারি আঘাত হানার আগে যত মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল, তার দ্বিগুণের বেশি।

অনাহারের ঝুঁকিতে থাকা এসব মানুষের মধ্যে ৪৫টি দেশের ৫ কোটি মানুষ চরম পুষ্টিহীনতায় ভুগছে বলে জানান ডব্লিউএফপির প্রধান। তিনি বলেন, এত দিন যেটাকে ক্ষুধার স্রোত বলা হচ্ছিল, তা এখন ক্ষুধার সুনামিতে পরিণত হয়েছে। এমন পরিস্থিতির জন্য তিনি অর্থনীতির ওপর করোনার প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের দিকে ইঙ্গিত করেন।

ডেভিড বেসলি বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর থেকে খাদ্যপণ্য, জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি ৭ কোটি মানুষকে অনাহারের কাছাকাছি ঠেলে দিয়েছে। রাশিয়ার অবরোধ করে রাখা কৃষ্ণসাগরের বন্দর দিয়ে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রপ্তানি শুরু করতে গত জুলাইয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়।

এ ছাড়া বিশ্ববাজারে রাশিয়ার সার সরবরাহ শুরু করার চেষ্টাও চলছে। এরপরও বাস্তব অর্থেই চলতি বছর একাধিক দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

হুঁশিয়ারি দিয়ে ডব্লিউএফপির এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, আমরা যদি পদক্ষেপ না নিই, তাহলে বর্তমানে খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ে যে সংকট চলছে, তা ২০২৩ সালে গিয়ে খাবার না পাওয়ার সংকটে পরিণত হবে।

সূত্র: আল-জাজিরা