ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ৫:৩০:৪২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব

বেড়েই চলেছে পেঁয়াজের দাম 

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৩ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০২১ বুধবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

একদিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম আরও ১০ টাকা বেড়েছে। আর আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম বেড়েছে পাঁচ টাকা। গত এক সপ্তাহের হিসাব ধরলে দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা। কিন্তু হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে কেন?

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, প্রতি বছর দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তা দিয়ে চাহিদা মেটে না। চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানি করে মেটাতে হয়। ভারতে বিভিন্ন প্রদেশে অতিবৃষ্টির কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন কম হয়েছে। এতে বুকিং রেট বাড়ায় দেশে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম বেশি পড়ছে।

তবে ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর এই অজুহাত মানতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র বলেছে, প্রতি বছর দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ২৮ লাখ টন।

এরমধ্যে দেশে উৎপাদন হচ্ছে ৩৩ লাখ টন। সংরক্ষণের অভাবসহ বিভিন্ন কারণে ৩০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হলেও বাকি থাকে ২৩ লাখ টন। আর প্রতি বছর ৮ থেকে ১০ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। ফলে চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ সবসময় উদ্বৃত্ত থাকে। তাই হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।

সূত্র বলেছে, ভারত, মিয়ানমারসহ অন্যান্য যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশ পেঁয়াজ আমদানি করে থাকে, সেসব দেশ পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেনি। এছাড়া বড় কোনো সমস্যাও নেই। তাহলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ কেন ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়বে? এটা সিন্ডিকেটের কারসাজি ছাড়া কিছুই না।

গতকাল রাজধানীর কাওরানবাজার ও নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুদিন আগে রবিবার এই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে যথাক্রমে ৫০ থেকে ৬৫ টাকা ও ৪৫ থেকে ৫৫ টাকায়। আর এক সপ্তাহ আগে তা বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা ও ৩৮ থেকে ৪৫ টাকায়।

সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে গত এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ দাম বেড়েছে।

হাকিমপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জানান, বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, ভারতে বুকিং রেট বৃদ্ধি অন্যদিকে অতিরিক্ত গরমে অপরিপক্ক পেঁয়াজ আমদানি করে লোকসানের আশঙ্কায় আমদানির পরিমাণ কমেছে। যার ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী ।

পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারিতে দুই দিন আগে যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে সেই পেঁয়াজ এখন কেজিতে ১২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়।

বন্দরের ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, প্রতিদিন এই বন্দরে ৫০ ট্রাক পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে সেখানে বর্তমানে আমদানি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ ট্রাক। গত দুই সপ্তাহে এই বন্দর দিয়ে ১৭২ ট্রাকে মাত্র সাড়ে ৪ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ গতকাল জানান, চাহিদার তুলনায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে। এটা আসন্ন দুর্গা পূজা পর্যন্ত থাকতে পারে। আমদানিকারকরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছেন না বলে দাবি করেন তিনি।