ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭, মার্চ ২০২৬ ১৩:৪৪:৩৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, রণক্ষেত্র গ্রিন জোন শেষ সময়ের ঈদ বাজার: গৃহস্থালি পণ্য কিনতে ব্যস্ত ক্রেতারা ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন নিহত কমলাপুরে ব্যাপক ভিড়, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ট্রেন ছাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ২৬ ফ্লাইট কিশোরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ নিহত ৬ জাতির পিতার জন্মদিন আজ উইমেননিউজের প্রধান উপদেষ্টা রিজিয়া মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রাজধানীতে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০০ পিএম, ১২ মার্চ ২০২৫ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়াও দুই শিশুকে দেওয়া হয়েছে ১০ বছরের কারাদণ্ড। পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১২ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমানের আদালত এ রায় দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বগুড়ার ধুনট উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে মোহন, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার মুকুন্দগাতী গ্রামের মো. মিজানের ছেলে সাব্বির ও শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার (সদর) চিকন্দী গ্রামের কামাল ওরফে আবুল কালামের ছেলে রাসেল। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাভোগের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এদিকে ওমর এবং ফালান নামে দুই শিশুকে ১০ বছরের সাজার পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি কারাগারে আছেন। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তবে সাজা পাওয়া দুই শিশু পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৭ জুন আসামিরা ভিকটিমকে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন হাসান নগরের নুর আলমের বাসার নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলায় নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে কামরাঙ্গীরচর থানার ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ মোস্তফা আনোয়ার পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।