ঢাকা, সোমবার ২৩, মার্চ ২০২৬ ৯:১১:০১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
একাত্তরে গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১২ দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ

সংকটে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:১১ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০২২ শনিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

কর ছাড়ের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে নির্বাচনের আগে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছিলেন ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। কর্পোরেট কর বাড়ানোর পদক্ষেপ বাতিলের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শুরুটাও সেভাবে করেছিলেন লিজ ট্রাস। তিনি এখনও জোর দিয়ে বলে যাচ্ছেন ব্রিটেনের প্রবৃদ্ধির হার বাড়ানোই তার লক্ষ্য। কিন্তু তার কার্যালয়ের ফোকাস এখন ব্রিটেনের বন্ড মার্কেটের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করা।

ট্যাক্স ইস্যুকে কেন্দ্র করে টানাপোড়েন তৈরি হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে কোয়াসি কোয়ার্টেংকে সরিয়ে দিয়েছেন গত ১৪ অক্টোবর। তার স্থলাভিষিক্ত হলেন জেরেমি হান্ট, যিনি একজন ঝানু রাজনীতিবিদ এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বছর নিয়োগ পাওয়া যুক্তরাজ্যের চতুর্থ অর্থমন্ত্রী হলেন তিনি।

এবছর মার্চের বাজেটে তৎকালীন ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক এই কর ২০২৩ সালের এপ্রিলে ১৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তার যুক্তি ছিল, কোভিড মহামারিতে ধুঁকতে থাকা অর্থনীতিতে সরকার কোম্পানিগুলোকে শত শত কোটি পাউন্ড দিয়ে সহায়তা করেছে। ফলে তাদের কাছ থেকে এই বাড়তি কর চাওয়া অন্যায় কিছু নয়। কিন্তু সুনাকের এই সিদ্ধান্তই বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন লিজ ট্রাস।

শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) তিনি সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসায় সুনাকের সিদ্ধান্তই বহাল থাকলো। যারা দেড় লাখ ইউরো বা এর বেশি আয় করেন তাদের ওপর কর ৪৫ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন লিজ ট্রাসের অর্থমন্ত্রী কোয়াসি কোয়ার্টেং।

তিনি এটি স্বীকার করেন যে বাজারের প্রত্যাশার চেয়ে আরও বেশি এবং দ্রুত নেওয়া হয়েছিল এ সিদ্ধান্ত। এখন তিনি বলছেন যে তার অগ্রাধিকার তার ঋণদাতাদের কাছে ব্রিটেনের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা। মাঝারি মেয়াদে জিডিপির শতাংশ হিসাবে ঋণ কমছে তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি ‘যা কিছু প্রয়োজন’ তা করবেন।

ফলস্বরূপ, এপ্রিল থেকে আড়াই লাখ ইউরো মুনাফাসহ যাদের আয় বেশি তাদের কর ১৯ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। যা ফ্রান্স এবং জার্মানির সঙ্গে তুলনীয় একটি স্তর। এটি রাজকোষে ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে বছরে প্রায় ১৯ বিলিয়ন পাউন্ড জমা করবে।

তবুও এটি সরকারকে একটি আর্থিক গর্ত থেকে বের করে আনার জন্য অপর্যাপ্ত যেটি মূলত নিজেরাই খনন করেছে তারা। এই বিবৃতির আগে, একটি থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ফিসকাল স্টাডিজের কার্ল এমারসন ও ইসাবেল স্টকটন বলেছেন, ঋণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য ২০২৬-২৭ সালে প্রায় ৬২ বিলিয়ন পাউন্ড কমতে হবে।