ঢাকা, রবিবার ০৮, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৩:৫১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সুদানে চলমান সংঘাতে এক মাসে ২০ শিশু নিহত আজ থেকে নির্বাচনের মাঠে থাকছেন ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন: চায়ের কাপে ভোটের উত্তাপ ২০২৬ সালের হজের ভিসা দেওয়া শুরু আজ

স্বামীর পরকীয়া: মেয়েকে হত্যার পর অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:০৮ পিএম, ৮ আগস্ট ২০২১ রবিবার

কলেজ শিক্ষক কনার মন্ডল

কলেজ শিক্ষক কনার মন্ডল

কলেজ শিক্ষক স্বামীর পরকীয়ায় অভিমান করে দেড় বছর বয়সী সন্তান কথাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর অন্তঃসত্ত্বা মা পিয়া মন্ডল (২৩) আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কুলটিয়া গ্রামে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে।

গতকাল রাত ৯টার দিকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আত্মহত্যা প্ররোচনার দায়ে রাতেই স্বামী কনার মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।

পিয়া মণ্ডলের দাদু (নানা) কমলেশ মণ্ডলের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে এলাকার এক নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন কনার। বিষয়টি জানাজানি হলে কনার এবং পিয়ার মধ্যে প্রায় ঝগড়া হতো। পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় কনার প্রায়ই পিয়াকে মারধর করতেন।
 
তিনি আরও জানান, উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের সুজাতপুর গ্রামের ননি মন্ডলের ছেলে মশিয়াহাটি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক কনারের সঙ্গে পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয় অভয়নগর উপজেলার দত্তগাতী গ্রামের ভগিরত মন্ডলের মেয়ে পিয়ার। বিয়ের পর কনার স্ত্রীকে নিয়ে কুলটিয়া বাজারের পাশে দোতলায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। এরই মধ্যে পিয়ার কোলজুড়ে আসে সন্তান কথা।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শনিবার সকালে কনার তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এরপর থেকে কনার বাড়িতে ছিলেন না। পিয়ার দাদুসহ তার অভিভাবকদের ধারণা স্বামীর উপর অভিমান করেই অন্তঃসত্ত্বা পিয়া শনিবার সন্ধ্যায় মেয়ে কথাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘরের সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে ঝুলিয়ে নিজেও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। খবর পেয়ে থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ও নেহালপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আতিকুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে খবর পেয়ে রাতেই পিয়ার দাদু কমলেশসহ তার অভিভাবকরা ঘটনাস্থলে এসে ক্ষুব্ধ হয়ে কনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ এনে তাকে লাঞ্ছিত করেন। এ সময় পুলিশ কনারকে বিক্ষুব্ধদের হাত থেকে উদ্ধারের পর তাকে আটক করে।

এ ব্যাপারে মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, আত্মহত্যা প্ররোচনার দায়ে স্বামী কলেজ শিক্ষক কনারলকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।