ঢাকা, রবিবার ০৮, নভেম্বর ২০২৬ ১৭:৫৭:০৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে পরীমনিকে আইনি নোটিশ শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব আজ এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময় বাড়ল জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প, আহত অন্তত ২২ মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের মুকুট জিতলেন সামিরা খান মাহি নড়াইলে ১৬ নারী দলের নৌকা বাইচ, নদীর দুই পাড়ে উৎসব ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

অস্ত্রের ব্যবসা ভালোই হলো, এবার শান্তির ব্যবসা

আপডেট: ০৫:০৫ পিএম, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ শনিবার

sweety উম্মুল ওয়ারা সুইটি ফিলিস্তিনের কোমল কচি শিশুদের কান্না পৃথিবীর ধাবমান আর সন্ধানী সভ্যতাকে একটুও নাড়াতে পারেনি। পারবে কেন! এই অ্যাটম বোমা, রকেট লেন্সার, গোলাবারুদ বানিয়েছি অনেক বুদ্ধি খাটিয়ে। প্রতিদিন লাখ লাখ শ্রমিক এসব অস্ত্র কারখানায় কাজ করে। কর্মসংস্থানের জন্য অস্ত্র তৈরি একটি বড় বাজার। আর প্রতিরক্ষার জন্য অস্ত্রতো চাই-ই। ভাবতে ভালো লাগে, অস্ত্রগুলোর কোয়ালিটি ভালো।  দেখছেন না কেমন কাজে দিচ্ছে। ফিলিস্তিনের গাঁজা বেয়াইতসহ বিভিন্ন জায়গা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। আর দ্যাখেন  বোমাগুলো যখন শিশুদের গায়ে পড়ে কেমন ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়। রক্তের বন্যা বয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনে। মাঝখানে খুব মন্দা ছিল ব্যবসা। কোন ঝামেলা নাই, সবাই শান্ত, সবাই আল্লাহর খাস বান্দা হয়ে গিয়েছিলো। ‘যুদ্ধ নয় শান্তি চাই শান্তি চাই’ এ হালকা আবেগে কিছুদিন নিমজ্জিত ছিল মানুষ। নানা জায়গায় আমরা মার্কেটিং করার চেষ্টা করেছি।  ভেবেছিলাম বড় বড় যুদ্ধ হলে বছরে ২/৪টা বড় চালান দিলেই কাজ হয়ে যাবে। ছোট খাটো ব্যবসা করবোনা। ইসরায়েল ফিলিস্তিনের সুবিধা হলো এদেরকে যে কোন সময় উস্কে দেওয়া যায়। রসদ কম লাগে, তবে এবার মোটামুটি ভালোই সরবরাহ। তাছাড়া এরা সারা বছরই মালামাল কিনে। টুকটাক করে হামলা চালায়। বহু বছর ধরে ওরা আমাদের কাস্টমার। আবার ইসরায়েল আমাদের মুরুব্বী মানে। এখন যদি বলি যুদ্ধ বন্ধ করতে , করবে। অবশ্য এসব ব্যাপারে আমরা অবিবেচক নয়। কেবল এরা হামলা শুরু করেছে। সৈনিকদের রক্ত মাত্র গরম হতে শুরু করেছে। আমরা এতটা বোকা নই যে বলবো-‘থামাও।’ তাই সবমিলিয়ে ইসরায়েল আমাদের ভাগ্য লক্ষী। কোথাও ঝামেলা পাকাতে না পারলে এই ভাগ্য লক্ষীকে কাজে লাগাই। আরেকটা বিষয় আমরা গুরুত্বের সাথে দেখি, সেটা হলো এতো বড় দুনিয়ায় মাতবরিটা ঠিক রাখার চেষ্টা করা। সেজন্য আমাদের মার্কেটিং সেক্টর সব সময় তৎপর। যাক এতোক্ষন তো বললাম ব্যবসা বানিজ্যের কথা। আমরা ব্যবসায়ী ব্যবসা করবোই। আর ফিলিস্তিনেতো মোটামুটি ১৫ দিন হামলা হলোই। আর ব্যবসার দিকে তেমন একটা নজর আমাদের নেই। এখন আমরা চাই মাতবরিটা। আসুক ফিলিস্তিনের শুভাকাঙ্খীরা ধরুক আমাদের- ছেলের মাও আমরা মেয়ের মাও আমরা। সবাই চাইলে একটা হালকা পাতলা সমঝতা করতে পারি। সামনে ঈদ আসছে। অবশ্য চাইবো ঈদের আগেই ঝামেলাটা চাপা দিতে। এরমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আপনারা নিশ্চিত থাকুন আজকের পর আর বড় কোন হামলা হবেনা ফিলিস্তিনে। লেখক: সাংবাদিক ও সমাজকর্মী ০৬.০৯.২০১৪