ঢাকা, শুক্রবার ০৬, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:২৯:০১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশে পৌঁছেছে চার লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি, সরকারি কর্মচারীরা যমুনার দিকে সিকিমে দফায় দফায় ভূমিকম্প, বাংলাদেশেও অনুভূত একজনের সংস্থা ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক স্বর্ণ-রুপার দাম পতন, স্বর্ণে ভরিতে কমলো ৭৬৪০ টাকা সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে যেসব এলাকায় নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই, বাড়তি দামে নাজেহাল ক্রেতারা

আন্তর্জাতিক ইশারা ভাষা দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:২৮ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মানুষের মনের ভাব বিনিময়ের অন্যতম মাধ্যম ভাষা। কণ্ঠ, জিব, মুখ ব্যবহার করে মানুষ কথা বলতে পারে। কিন্তু যারা কথা বলতে পারে না তারা কীভাবে মনের ভাব বিনিময় করে? যারা কথা বলতে পারে না বা বধির তারা ব্যবহার করে সাংকেতিক ভাষা।

ইশারা ভাষার মাধ্যমে বধির ও বোবা মানুষ মনের ভাব বিনিময় করে। একে সাইন ল্যাঙ্গুয়েজও বলা হয়। হাত, আঙুলসহ দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সাহায্যে এ ভাষা ব্যবহার করা হয়। মুখের অভিব্যক্তি, কাঁধের ওঠানামাও এ ভাষায় যোগাযোগে ভূমিকা রাখে। আজ ২৩ সেপ্টেম্বর পালিত হবে আন্তর্জাতিক ইশার ভাষা দিবস। তবে ২০০৯ সাল থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বাংলা ইশারা ভাষা দিবস।

বিভিন্ন দেশের মানুষের ভিন্ন ভিন্ন সাংকেতিক ভাষা বা ইশারা ভাষা আছে। এ ভাষাগুলো উদ্ভব হয় কথ্যভাষা থেকে। ইশারা ও কথ্য ভাষার সম্পর্ক দেশ এবং সেখানকার ভাষার ওপর নির্ভর করে। বিভিন্ন দেশের মতোই ভিন্ন ভিন্ন থাকে সাইন ল্যাঙ্গুয়েজও। আমাদের দেশের মূক ও বধির মানুষ বাংলা ইশারা ভাষা ব্যবহার করে। ১৯৯২ সালে বাংলাদেশে ব্রিটিশ সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের আলোকে চালু হয় বাংলা ইশারা ভাষা। জাতীয় বধির সংস্থা এ দেশে সর্বপ্রথম বাংলা ইশারা ভাষা ও বিধান প্রণয়ন করে। জাতীয় বধির সংস্থা ১৯৯৪ সালে এ ভাষার জন্য ছবিসহ একটি ডিকশনারি প্রকাশ করে। তা ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এ ভাষা শেখানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম করে থাকে। বাংলা ইশারা ভাষার শেখার জন্য কোর্সও আছে। তা ছাড়া জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থা বাংলাদেশের শ্রবণ প্রতিবন্ধী মানুষের সংস্থাগুলোর উন্নয়নে কাজ করে।


সাংকেতিক ভাষার ইতিহাস পাওয়া যায় খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে। তবে আদিম যুগ থেকেই মানুষ পারস্পরিক যোগাযোগের জন্য ইশারা ভাষা ব্যবহার করে আসছে বলে ধারণা করা হয়। তবে মার্জিত ইশারা ভাষার বর্ণমালার আবির্ভাব বেশি পুরোনো নয়, পঞ্চদশ শতকে স্প্যানিশ সন্ন্যাসী পেড্রো পন্স ডি লিওন প্রথম এ ভাষার বর্ণমালা তৈরি করেছিলেন। যদিও তা পুরোপুরি বোবা ও বধিরদের জন্য ছিল না।

১৬২০ সালে জুয়ান পাবলো বোনেট মাদ্রিদে সাংকেতিক ভাষার ধ্বনিতত্ত্বের বই প্রকাশ করেন। ফরাসি চার্লস-মিচেল দে ল’পেই অষ্টাদশ শতকে তার ইশারা ভাষার বর্ণমালা প্রকাশ করেছিলেন, যা বর্তমান সময়ে ফ্রান্স এবং উত্তর আমেরিকার অনেকাংশে অপরিবর্তিত রয়েছে।