ঢাকা, মঙ্গলবার ০৯, জুন ২০২৬ ৯:৩৬:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে টাকার নৈরাজ্য, নেই নিয়ম-নীতির বালাই আগামী বছর পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বই হামে একদিনে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানী পুশইন ঠেকাতে ভারতকে ১৩টি চিঠি দিয়েছে সরকার বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৫ দেশে একসঙ্গে ভূমিকম্প অনুভূত

এক টাকাতেই সোনা কেনার সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০৫ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০২১ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বাড়লে দেশের বাজারেও দাম বাড়ে। আবার আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারে সোনার দাম কমে। সোনার দাম ওঠা-নামা করায় অনেকে বিপুল টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন। কিন্তু হাতে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় অনেকেই সোনা কিনতে পারেন না। সাধ থাকলেও তা মেটানো যায় না সাধ্যের অভাবে। তবে এখন হতাশার কোনো কারণ নেই। এক টাকায় সোনা কেনা যাচ্ছে।

ডিজিটাল মাধ্যমে এক টাকারও সোনা কিনে রাখা যায়। বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে সোনা কিনে রাখা যাচ্ছে। সেই অ্যাপের লকারেই থেকে যাবে কেনা সোনা। যখন খুশি, যত টাকার সম্ভব সোনা কিনে ফেলা যায়। তা জমতে থাকে। আবার ইচ্ছে হলেই তা বিক্রি করে দেওয়া সম্ভব।


বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে কেনা ডিজিটাল সোনা সরাসরি প্রিয়জনের ফোন নম্বরে উপহার হিসেবে পাঠানো যায়।

বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতে ডিজিটাল সোনা বিক্রি করে তিনটি সংস্থা। এমএমটিসি পিএএমপি, অগমেন্ট গোল্ডটেক এবং ডিজিটাল গোল্ড ইন্ডিয়া। এই তিন সংস্থা পেটিএম, গুগল পে, ফোন পে, অ্যামাজন পে-র মাধ্যমে সোনা বিক্রি করে। ইদানিং কিছু জুয়েলারি সংস্থাও এই সব প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ডিজিটাল সোনা বিক্রি শুরু করেছে।

মনে রাখতে হবে, ডিজিটাল সোনা মানে সেটা সব সময়েই ২৪ ক্যারাট। অর্থাৎ, ৯৯৯.৯ শতাংশ খাঁটি। যে দিন যখন কেনা হবে সেই সময়ের দর অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক হয়। সাধারণভাবে মনে হয় সোনায় বিনিয়োগ করতে একসঙ্গে অনেক টাকা লাগে। কিন্তু এই পদ্ধতির প্রধান সুবিধাই হলো সামান্য পরিমাণেও সোনা কেনা যায়। তিল তিল করে তিলোত্তমা গড়ার সুবিধা রয়েছে। এক টাকা থেকে কেনা শুরু করা যায়। তবে এক দিনে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকার সোনা কেনা যায়।

এই পদ্ধতিতে সোনা কেনার একটা বড় সুবিধা হলো নিরাপত্তার কথা আলাদা করে ভাবতে হয় না। সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা অ্যাপ তার লকারে রেখে দেয়। এই সোনায় ভেজাল (খাদ) থাকার কোনও ভয় নেই। ডিজিটাল গোল্ড কেনার জন্য যে কেউ বিনা খরচে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। শুধু ৩ শতাংশ হারে জিএসটি দিতে হয় কেনার সময়। সোনার দাম শহর অনুযায়ী আলাদা আলাদা হয়। তবে ডিজিটাল সোনার ক্ষেত্রে সেটা নয়। গোটা দেশে একই দরে কেনাবেচা করা যায়। বিক্রি করার জন্য ক্রেতার অপেক্ষাও করতে হয় না। যে প্লাটফর্মে সোনা কেনা রয়েছে সেখানেই সরাসরি বিক্রি করে টাকা নিয়ে নেওয়া যায়।সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

তবে একটা বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার। এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি সংস্থা ডিজিটাল সোনা কেনাবেচার ওপরে নজরদারি চালায় না। তবে দিন দিন জনপ্রিয় হতে চলা ডিজিটাল সোনা নিয়ে খুব শিগগিরি কিছু নিয়মাবলী ঠিক করতে পারে সেবি (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া)। তবে তা না হওয়ার আগে সতর্কতার সঙ্গেই বিনিয়োগ করা উচিত।