ঢাকা, শুক্রবার ০৬, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:১৮:৫৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন এ বছর হতে পারে: মাচাদো দেশে পৌঁছেছে চার লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি, সরকারি কর্মচারীরা যমুনার দিকে সিকিমে দফায় দফায় ভূমিকম্প, বাংলাদেশেও অনুভূত একজনের সংস্থা ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক

এখনই হাসপাতাল ছাড়তে পারছেন না খালেদা জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৩৭ পিএম, ২৭ আগস্ট ২০২৩ রবিবার

পুরোনো ছবি

পুরোনো ছবি

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখনই হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরতে পারছেন না। তাকে আরও কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।

রোববার (২৭ আগস্ট) খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ কথা জানান। তিনি বলেন, বাসায় নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা খালেদা জিয়ার এখনো হয়নি।

গত ৯ আগস্ট স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসনকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

জাহিদ হোসেন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নানা শারীরিক জটিলতার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সেটাকে ভালো বলা যাবে না। এখনো হাসপাতালে তাকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন বলে চিকিৎসকেরা মনে করছেন। সে কারণে তাকে আরও কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।’

তবে ঠিক কত দিন হাসপাতালে থাকতে হবে, সে বিষয়ে এই মুহূর্তে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারছেন না চিকিৎসকেরা।

এর আগে গত ১৩ জুন রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় পাঁচ দিন পর তিনি বাসায় ফেরেন।

গত বছরের জুনে খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এরপর একটিতে রিং পরানো হয়।

খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার ও হৃদরোগে ভুগছেন। তার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ ও লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকেরা।‌ ২০২১ সালের এপ্রিলে করেনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কয়েকবার নানা অসুস্থতার কারণে তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।

দুর্নীতির মামলায় সাজা হলে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়া হয়। দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে‌ ২০২০ সালের মার্চে কয়েকটি শর্তে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর দণ্ড ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে সরকার। সেই থেকে তিনি গুলশানে ভাড়া বাড়িতে রয়েছেন। প্রতি ৬ মাস পরপর সরকার তার মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছে।