ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ২০:২৫:৩৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
একাত্তরে গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১২ দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ

খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রতিবেদন ১৪ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১২:৪৯ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০১৮ সোমবার

মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত এবং বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকাকে অপমানিত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

 


আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী এই নতুন তারিখ ধার্য করেন। আজ গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু গুলশান থানার পুলিশ এ সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।

 

এর আগে ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী। এরপর গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। ১২ নভেম্বর এ প্রতিবেদন দাখিল না করায় ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

 


খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সঙ্গে জোট করে নির্বাচিত হয়ে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি রাজাকার-আলবদর নেতাকর্মীদের মন্ত্রী-এমপি বানিয়ে তাদের বাড়ি ও গাড়িতে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা তুলে দেন।

 


২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। আদালত ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।

 


২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক মশিউর রহমান (তদন্ত) অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার অপর আসামি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যু হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।