ঢাকা, রবিবার ২৫, অক্টোবর ২০২৬ ৬:৫৭:১৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে ভাঙছে প্রায় ৪৪টি সংসার সৌদিতে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা কতটা আছে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে,৩জনের প্রাণহানী কমছে না পোলাওর চাল ও আটা-ময়দার দাম ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল

জাতীয় পতাকার বৃত্ত চারকোণা হওয়া নিয়ে সমালোচনা, থানায় এজাহার

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২০ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ শুক্রবার

এই ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এই ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষককের বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা জানানোর সময় ভিন্ন রকম একটি পতাকা ব্যবহার করার বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দাখিল করেছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই দুজন অধ্যাপক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুল হক এবং গণিত বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজনকে অপরাধী করে দাখিল করা তাদের এজাহারে সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতীয় পতাকা বিকৃত, তা উপস্থাপন ও অবমাননার অভিযোগ এনেছেন।

বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা জানানোর সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক জন শিক্ষকদের তোলা ঐ ছবিটিতে যে পতাকাটি ব্যবহার করতে দেখা যায় সেটিতে সবুজ জমিনে লাল রঙের বৃত্তের পরিবর্তে চার কোণা একটি আকৃতি বসানো হয়েছে।

ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং ব্যবহার করা পতাকার নকশায় পরিবর্তন আনার সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুক জুড়ে। সামাজিক মাধ্যমে এর প্রতিবাদ এবং নিন্দারও ঝড় ওঠে।

এমন পতাকা ব্যবহারের সমালোচনা করে ফেসবুকে এর আগে একটি পোস্ট দেন থানায় অভিযোগাকারীদের একজন - গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুল হক।

তিনি তার পোস্টে লেখেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে লজ্জিত। কারণ এরা সবাই শিক্ষক।

তিনি আরও লেখেন, বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকাকে অবমাননা! পতাকার ডিজাইন পরিবর্তন করা হয়েছে। বৃত্ত না দিয়ে চারকোণার মতো আকৃতি দেয়া হয়েছে। নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"

বিবিসিকে দেওয়া এক বক্তব্যে মাহমুদুল হক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এটা একটা সেন্ট্রাল প্রোগ্রাম। এর পুরো দায়-দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং কর্তৃপক্ষের। যারা করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষের যারা এর সাথে রয়েছে তারা সবাই সমভাবে অপরাধী।

বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকের বেশ কয়েকটি গ্রুপও পোস্ট দিয়েছে এবং এর সমালোচনা করেছে।

এদিকে ছবিটিতে ছিলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক তাবিউর রহমান প্রধান। তিনি বলেন, অনেক শিক্ষকই ছবি তুলেছেন। তবে যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে সেটিতে যে পতাকা দেখা যাচ্ছে সেটি আসলে পতাকা নয়, বরং ব্যানারের মতো ছিল।

তিনি বলেন, সবাই দাঁড়িয়েছে লাল-সবুজ পতাকা দেখে, এটি একটি ব্যানার হিসেবে। ছবি তোলার সময় তো আর এটা দেখা হয় নাই যে এটা ঠিক আছে কিনা।

তিনি বলেন, এটা কোন আনুষ্ঠানিক পতাকা না। আর এটা কোথা থেকে আসছে তা আমরা কিছুই জানতাম না।

তিনি জানান, এটা উদ্দেশ্যমূলক ছিল না। এটা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন এবং অনুতপ্ত। এরই মধ্যে তারা এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সূত্র : বিবিসি বাংলা