ঢাকা, শুক্রবার ০৬, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:১৮:৫৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন এ বছর হতে পারে: মাচাদো দেশে পৌঁছেছে চার লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি, সরকারি কর্মচারীরা যমুনার দিকে সিকিমে দফায় দফায় ভূমিকম্প, বাংলাদেশেও অনুভূত একজনের সংস্থা ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক

টঙ্গীতে দুই নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২৩ পিএম, ১ এপ্রিল ২০২২ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

গাজীপুরের টঙ্গীতে পৃথকস্থানে চাকরির আশ্বাসে এক গৃহবধূ (১৯) ও এক গামেন্টস কর্মীকে (২৬) কে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় পৃথক দু’টি মামলা করেছেন ভুক্তভাগী দুই নারী। গার্মেন্টস কর্মী ধর্ষণের অভিযোগে পঞ্চগড় সদরের ঠাটপাড়া গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে রাহাত আলী (২২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ।

গৃহবধূ ধর্ষণের অভিযুক্তরা হলেন, মামুন (২৩), হাসান (২৩), হক মৃধা (৩০) ও কবির (৩১)। কারোই এখনও গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানা গেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দলবেঁধে ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী নারী পেশায় একজন গৃহবধূ। তার চাচাতো দেবর মামুন মুঠোফোনের মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে গার্মেন্টসে চাকরি দেয়ার কথা বলে রাজশাহী থেকে টঙ্গীতে নিয়ে আসেন। গত ৩১ জানুয়ারি রাতে ভুক্তভোগীকে গামছা দিয়ে বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে তার সহযোগী হাসান, হক মৃধা ও কবির একই কায়দায় দলবেঁধে একের পর একজন তাকে পালাক্রমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে রাজশাহী চলে যায় ওই নারী।

চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার টঙ্গী পূর্ব থানায় এসে ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সেই নারী।

অপরদিকে, টঙ্গী এরশাদনগর এলাকায় গার্মেন্টসের এক শ্রমিককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার ঘটনা ঘটেছে। গত ৬ মার্চ রাত ৯ টার দিকে গার্মেন্টস ছুটির পর বাসায় ফিরছিলেন ওই নারী। এসময় এরশাদনগর বড়বাজার পৌঁছালে রাহাত আলী তাকে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে তুলে বনমালা রেলগেট এলাকার নির্জনস্থানে নিয়ে যায়। সেখানে গাড়ির ভিতরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে বুধবার রাতে ভুক্তভোগী বাদি হয়ে মামলা করলে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (দক্ষিণ জোন) হাসিবুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গামেন্টকর্মী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলবেঁধে ধর্ষণে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এসব ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে।