দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের মুখোমুখি তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৭:২৪ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার
ছবি: সংগ্রহিত।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশি ও বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতা, ভবিষ্যৎ সরকার পরিচালনার রূপরেখা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন।
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় দেশের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন ব্যবস্থা, অর্থনীতি, দ্রব্যমূল্য, মানবাধিকার, রাজনৈতিক সংলাপ ও দলীয় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
নির্বাচন ও গণতন্ত্র
নির্বাচন ও গণতন্ত্র প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটানোই গণতন্ত্রের মূল শক্তি। তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেখানে সব রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবে এবং ভোটাররা কোনো বাধা বা ভয়ভীতি ছাড়া ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও তিনি কথা বলেন এবং নির্বাচন পরিচালনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সরকার পরিচালনার পরিকল্পনা
ক্ষমতায় গেলে সরকার কীভাবে পরিচালিত হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় সংবিধানসম্মত ও সংসদীয় কাঠামোর মধ্যেই কাজ করবে। তিনি জানান, সরকার পরিচালনায় আইন ও প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী ভূমিকা নিশ্চিত করা হবে এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনের পরিবর্তে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তার ভাষায়, ভবিষ্যৎ সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হবে—
অর্থনীতি পুনরুদ্ধার
কর্মসংস্থান সৃষ্টি
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে কাঠামোগত সংস্কার
তিনি বলেন, “আমরা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, রাষ্ট্রের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেব। জনগণের কল্যাণই হবে আমাদের রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য।”
অর্থনীতি ও দ্রব্যমূল্য
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজার ব্যবস্থাপনা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন, উৎপাদন বাড়ানো, কৃষক ও উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং দুর্নীতি কমানো গেলে বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া হবে এবং কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এতে সাধারণ মানুষের আয় বাড়বে এবং বাজারে চাপ কমবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
বিদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এই নীতিতে বিশ্বাস করে। তিনি জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করা হবে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের ভিত্তিতে সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলেন তিনি। তার মতে, একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা বাড়াতে পারে।
মানবাধিকার ও রাজনৈতিক পরিবেশ
মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে দমন নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
তিনি দাবি করেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী মতের প্রতি সহনশীলতা থাকতে হবে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে থেকে কাজ করতে হবে।
দলীয় ভবিষ্যৎ ও সংগঠন
বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, দলকে আরও সংগঠিত ও আধুনিক করা হবে। তিনি তরুণ নেতৃত্ব ও নারী নেতৃত্বকে সামনে আনার ওপর জোর দেন এবং দলীয় কাঠামোকে সময়োপযোগী করার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, দলীয় রাজনীতিতে প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী আলোচনার গুরুত্ব বাড়ানো হবে, যাতে দলীয় কর্মীরা কেবল রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন।
রাজনৈতিক সংলাপ
রাজনৈতিক সংলাপ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সব দলের মধ্যে আলোচনা প্রয়োজন। তার ভাষায়, “সহনশীলতা ও সংলাপ ছাড়া গণতন্ত্র টেকসই হতে পারে না।” তিনি মনে করেন, মতবিরোধ থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সমঝোতার পথ খোলা রাখা জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে তারেক রহমান বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বশীল রাজনীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হবে এবং গণতান্ত্রিক ধারা আরও শক্তিশালী হবে।
- ফুলে ফুলে বসন্তের গান: রঙ, গন্ধ আর জীবনের উৎসব
- ৩৫–৪৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি বিএনপির
- মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন প্রেসিডেন্ট
- নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন মঙ্গলবার
- থানকুনির ভেষজ গুণ, শরীর-সৌন্দর্য চর্চায় উপকার
- দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের মুখোমুখি তারেক রহমান
- বিএনপির জয়: নারী ভোটারদের প্রত্যাশা ও ভাবনা
- তারেক রহমানকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন
- পাক-ভারত ম্যাচের টিকিট শেষ, হোটেল-বিমান ভাড়া বেড়ে ৪ গুণ
- চীনে নবদম্পতিদের বিয়েতে রসুন উপহারের প্রথা
- বিএনপির জয়: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন রূপরেখা
- রাজধানী ঢাকা, আজও বেশ ফাঁকা
- মন্ত্রিসভার শপথ সোম-মঙ্গলবার, এমপিদের রোববার
- ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ, দ্রুত শপথ এমপিদের
- পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস আজ
- মন্ত্রিসভার শপথ সোম-মঙ্গলবার, এমপিদের রোববার
- পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস আজ
- চীনে নবদম্পতিদের বিয়েতে রসুন উপহারের প্রথা
- তারেক রহমানকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন
- ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ, দ্রুত শপথ এমপিদের
- থানকুনির ভেষজ গুণ, শরীর-সৌন্দর্য চর্চায় উপকার
- পাক-ভারত ম্যাচের টিকিট শেষ, হোটেল-বিমান ভাড়া বেড়ে ৪ গুণ
- রাজধানী ঢাকা, আজও বেশ ফাঁকা
- দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের মুখোমুখি তারেক রহমান
- নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন মঙ্গলবার
- মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন প্রেসিডেন্ট
- ৩৫–৪৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি বিএনপির
- বিএনপির জয়: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন রূপরেখা
- বিএনপির জয়: নারী ভোটারদের প্রত্যাশা ও ভাবনা
- ফুলে ফুলে বসন্তের গান: রঙ, গন্ধ আর জীবনের উৎসব











