ঢাকা, রবিবার ১৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৫:২২:২০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৩৫–৪৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি বিএনপির মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন প্রেসিডেন্ট দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের মুখোমুখি তারেক রহমান মন্ত্রিসভার শপথ সোম-মঙ্গলবার, এমপিদের রোববার ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ, দ্রুত শপথ এমপিদের

মন্ত্রিসভার শপথ সোম-মঙ্গলবার, এমপিদের রোববার

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২০ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। মহামান্য প্রেসিডেন্ট মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে তিনি শপথ পড়াবেন। এরই মধ্যে তাকে ‘প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধি’ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বঙ্গভবন সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে এ তথ্য।

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এমন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। পূর্বতন সংসদের কোনো স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানোর এই আইনি প্রক্রিয়ার কথা বলেন।

তিনি বলেছিলেন, নির্বাচিত এমপিগণ সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কাছে শপথ নিলেও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরিস্থিতির কারণে এবার সেটি হচ্ছে না। এবার নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যরা প্রেসিডেন্ট মনোনীত কোনো ব্যক্তি হিসেবে প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিতে পারেন।
গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। তার আগে আগস্ট মাসে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গ্রেফতার হয়ে এখন দ-িত।

এ পরিস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন, এ নিয়ে দেখা দেয় বিভ্রান্তি। আইন উপদেষ্টা আরো বলেছিলেন বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন যারা সংসদ সদস্য হবেন, তাদের শপথ গ্রহণ করানোর কথা স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে। এখন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ আরেকজন কারাগারে রয়েছেন।

তাদের (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এ অবস্থায় তাদের দিয়ে শপথ গ্রহণ করার কোনো রকম সুযোগ আছে বলে মনে করেন না আইন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, আমাদের আইনে আছে, ওনারা (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) যদি শপথ গ্রহণ করাতে না পারেন, তাহলে প্রেসিডেন্ট মনোনীত, অর্থাৎ প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে প্রেসিডেন্ট মনোনীত ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করাবেন, এক। দুই হচ্ছে, তিন দিনের মধ্যে যদি এই শপথ না হয়, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন।

এ দিকে অন্তর্বর্তী সরকার সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায় আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। এর আগে নির্বাচিত এমপিদের গেজেট প্রকাশ প্রকাশ করা হবে। সোমবার কিংবা তার পরদিন মঙ্গলবার বঙ্গভবনে মহামান্য প্রেসিডেন্টের কাছে শপথ নিতে পারে নতুন মন্ত্রিপরিষদ। এমপিদের শপথ গ্রহণের পরই নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া বিএনপিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন মহামান্য প্রেসিডেন্ট।