‘নির্বাচন ডাকাতি যেন আর না ঘটে সেই ব্যবস্থা করতে হবে’
| উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:০০ এএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার
ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণ করার পর এসব কথা বলেন তিনি।
বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর তদন্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন কমিশনের সদস্যরা। এতে উপস্থিত ছিলেন কমিশন প্রধান সাবেক বিচারক বিচারপতি শামীম হাসনাইন, কমিশন সদস্য শামীম আল মামুন, কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হোসেন, ড. মো. আব্দুল আলীম। উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তদন্ত প্রতিবেদনে কমিশন জানায়, ২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং অবশিষ্ট ১৪৭টিতে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা’র নির্বাচন ছিল সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের নির্বাচন সারা বিশ্বে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন হিসেবে সমালোচিত হওয়ায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালের নির্বাচনকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক’ করার মিশন গ্রহণ করে। বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দল তাদের এ সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বুঝতে না পেরে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
প্রতিবেদন গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ভোট ডাকাতির কথা শুনেছিলাম, কিছু কিছু জানতাম। কিন্তু এত নির্লজ্জভাবে পুরো প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে সিস্টেমকে দুমড়ে মুচড়ে ফেলে নিজেদের মনের মতো একটা কাগজে রায় লিখে দিয়েছে এগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা দরকার। পুরো রেকর্ড থাকা দরকার।’
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘দেশের টাকা খরচ করে, মানুষের টাকায় নির্বাচন আয়োজন করে পুরো জাতিকেই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ দেশের মানুষ অসহায়ের মতো তাকিয়ে ছিল। কিছু করতে পারেনি। এ দেশের জনগণ যেন কিছুটা হলেও স্বস্তি পায় সেজন্য যারা যারা জড়িত ছিল তাদের চেহারাগুলো সামনে নিয়ে আসতে হবে। কারা করল, কীভাবে করল সেটা জানতে হবে। নির্বাচন ডাকাতি আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।’
তদন্ত কমিশনের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০১৮ সালে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতের বেলায় ব্যালট পেপারে সিল মেরে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করে রাখা হয়। আওয়ামী লীগকে জেতাতে প্রশাসনের মধ্যে এক ধরনের অসৎ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। ফলে কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোট প্রদানের হার ১০০ শতাংশের বেশি হয়ে যায়। ২০২৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ না দেওয়ায় ‘ডামি’ প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক’ করার অপকৌশল গ্রহণ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনটি নির্বাচনের অভিনব পরিকল্পনা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয় এবং বাস্তবায়নে প্রশাসন, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন ও গোয়েন্দা সংস্থার একটি অংশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়। কিছু কর্মকর্তার সমন্বয়ে বিশেষ সেল গঠন করা হয় যা নির্বাচন সেল নামে পরিচিত লাভ করে।
২০১৪-২০২৪ পর্যন্ত সময়কালে নির্বাচন ব্যবস্থাকে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে মূলত প্রশাসনের হাতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময়ে কমিশনের পরিবর্তে প্রশাসনই হয়ে উঠে নির্বাচন পরিচালনার মূল শক্তি।
- ঢাকার বাতাসে স্বস্তি, দূষণের শীর্ষে কায়রো
- আজও মধ্যপ্রাচ্যের ২৪ ফ্লাইট বাতিল, বিপাবে যাত্রীরা
- মশক নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির বিশেষ অভিযান শুরু আজ
- ট্রাম্পের ধর্মীয় কমিশন থেকে একমাত্র মুসলিম নারীর পদত্যাগ
- টানা পাঁচদিন বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম
- বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী
- ঈদে ফিরতি ট্রেনযাত্রার দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি শুরু
- রাজধানীতে হঠাৎ শিলা বৃষ্টি, ৩ জনের মৃত্যু
- কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড বইমেলা, বিপাকে পাঠক-প্রকাশক
- মির্জা আব্বাসকে দেখতে এভারকেয়ারে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
- দ্রুতই চালু হবে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী
- রকমারি ইফতারে জমজমাট রাজধানী, স্বাদ-ঐতিহ্যের মিলনমেলা
- ৯৮তম অস্কার মনোনয়ন ঘোষণা, তালিকায় এগিয়ে যারা
- ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু, নাড়ির টানে ঘরমুখী মানুষ
- ‘ঈদ মানেই রঙ, আর সেই রঙই তুলে ধরতে চাই পোশাকে’—বিপ্লব সাহা
- মির্জা আব্বাসকে দেখতে এভারকেয়ারে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
- রকমারি ইফতারে জমজমাট রাজধানী, স্বাদ-ঐতিহ্যের মিলনমেলা
- বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের ৫ দিনের পূর্বাভাস
- ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনে ৪১৪ নারী ও শিশু নিহত
- জলবায়ু পরিবর্তন: পানি সংকটের বোঝা নারীর কাঁধেই বেশি
- শুক্রবারে কাঁচাবাজারে ভিড়, পণ্যের দামে মিশ্র চিত্র
- ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু, নাড়ির টানে ঘরমুখী মানুষ
- কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড বইমেলা, বিপাকে পাঠক-প্রকাশক
- খামেনির স্ত্রীর মৃত্যুর খবর ভুয়া, বেঁচে আছেন তিনি
- মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের তীব্র হামলা, লক্ষ্য দুবাই, সৌদি ও কাতার
- ঈদে ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু
- ৯৮তম অস্কার মনোনয়ন ঘোষণা, তালিকায় এগিয়ে যারা
- তুরস্কে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কে ঘরছাড়া মানুষ
- ঘরে বানানো ইফতার: স্বাদে ভরপুর, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী











