ঢাকা, সোমবার ২৩, মার্চ ২০২৬ ১৭:৪৭:৪১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সব পেট্রোল পাম্প সাত দিন ছুটির পরে কাল খুলছে অফিস-আদালত ইরানসহ চার দেশের সঙ্গে ইইউর কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:৪৩ পিএম, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস।যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ে ঋষি সুনাককে হারিয়েছেন তিনি। আগামীকাল মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। লিজ ট্রাসকে এ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্থানীয় সময় আজ সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সময় বেলা সাড়ে ১১টায় ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির নতুন প্রধানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ের ভোটাভুটি শেষ হয়। সেই ফল ঘোষণা হলো আজ। যেহেতু কনজারভেটিভ পার্টির নতুন প্রধান লিজ ট্রাস নির্বাচিত হয়েছেন সেহেতু তিনিই যাবেন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।

প্রায় দুই মাস ধরে চলা নেতা নির্বাচনের এ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ধাপের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন সাবেক চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস। তাদের মধ্যে লিজ ট্রাস বিজয়ী হলেন।

মন্দার মুখোমুখি হওয়া যুক্তরাজ্যে এখন মূল্যস্ফীতির সংকট আর শিল্প খাতে অস্থিরতা চলছে, নতুন প্রধানমন্ত্রীকে এসব সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে।

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস বর্তমানে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বপালন করছেন। একটি সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করা ৪৭ বছর বয়সী ট্রাসের বাবা ছিলেন অংকের অধ্যাপক এবং মা একজন নার্স। ট্রাস অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন, রাজনীতি এবং অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

লেখাপড়া শেষ করে কিছুদিন অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবেও কাজ করেন তিনি। এরপর তিনি রাজনীতিতে নামেন। ট্রাস প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন ২০১০ সালে। তবে তিনি প্রাথমিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার বিরুদ্ধে ছিলেন।

পরে ব্রেক্সিটের নায়ক হিসাবে আবির্ভূত হওয়া বরিস জনসনকে সমর্থন করেন ট্রাস। ব্রিটিশ মিডিয়া প্রায়ই লিজ ট্রাসকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের সঙ্গে তুলনা করে থাকে।