ঢাকা, সোমবার ৩১, আগস্ট ২০২৬ ১৪:২০:৫৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শিশু আছিয়া হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল নেপালে বন্যায় নিখোঁজ ২ শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থী দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম ডেঙ্গু পরিস্থিতি: পরপর দুদিন রেকর্ড রোগী নেপালে বন্যা: সর্বশেষ প্রাণহানি ও নিখোঁজ কতজন? সেই বিদ্যালয়ে শিক্ষিকার লাশ, কাঁদল খুদে শিক্ষার্থীরা র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান

শিশু আছিয়া হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:১৮ পিএম, ৩১ আগস্ট ২০২৬ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বছর খানেক আগে মাগুরায় আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।

আজ সোমবার এ রায় দেয় বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার বেঞ্চ।

২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মামলার অপর তিন আসামি শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের পর হিটু শেখ মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করেন। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটির ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে আসে। ডেথ রেফারেন্স শাখা পেপারবুক তৈরির জন্য মামলার নথি বিজি প্রেসে পাঠায়। ছাপার কাজ শেষে গত জুনে পেপারবুক হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়।

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের ওই শিশু। ওইদিন তাকে মাগুরা সদর হাসপাতাল থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ৮ মার্চ তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ শিশুটির মৃত্যু হয়।

এর আগে ৮ মার্চ শিশুটির মা হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। শিশুটির মৃত্যুর পর ওই মামলায় হত্যার অভিযোগও যুক্ত করা হয়।

মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল অভিযোগপত্র দেয়। ২৩ এপ্রিল হিটু শেখের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় এবং অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির পৃথক ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

ঘটনার মাত্র দুই মাস ১১ দিনের মাথায় ১৭ মে নিম্ন আদালতে রায় দেওয়া হয়েছিল।