সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কিশোরী আবারও ধর্ষিত
| উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৫:০৬ পিএম, ৬ নভেম্বর ২০২০ শুক্রবার
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কিশোরী আবারও ধর্ষিত
লালমনিরহাটে কয়েক দিন আগে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়া এক কিশোরী (১৬) আবারও ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
সে বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাটগ্রাম থানায় মামলাটি দায়ের করে।
অভিযুক্ত রবি মিয়া (১৮) পাটগ্রাম উপজেলার জোংরা ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামের আব্দুল আলীম মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পাটগ্রামের ওই কিশোরী একই উপজেলার কুচলিবাড়ি ইউনিয়নের কেরারটারী গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার বোন ও বোন জামাই বাড়িতে না থাকার সুযোগে বোন জামাইয়ের প্রতিবেশী ভাতিজা রবি মিয়া তাকে ধর্ষণ করেন। পরে মেয়েটির বোন বাড়িতে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্ত রবি পালিয়ে যায়।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের চেষ্টা ব্যর্থ হলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ওই কিশোরী।
পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত বলেন, ‘ভিকটিম তার বোন জামাইসহ থানায় এসে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগটি আমলে নিয়ে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।’
‘মেয়েটি গত ৯ অক্টোবর কালীগঞ্জের কাকিনায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ইউপি সদস্যসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিল। যা দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচিত হয়। থানায় এসে প্রথম দিকে সেই ঘটনাটি অস্বীকার করলেও পরে তা স্বীকার করেছে ওই কিশোরী,’ বলেন ওসি।
তিনি জানান, নতুন মামলার পলাতক আসামি রবিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ, গত ৬ অক্টোবর ট্রেনে পাটগ্রাম থেকে এসে কালীগঞ্জের কাকিনা রেল স্টেশনে নেমে একটি দোকানে খাওয়ার জন্য ঢোকে ওই কিশোরী এবং ট্রেন মিস করে। সেখানে থাকা এক যুবক রকি কৌশলে তাকে ইজিবাইকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর অনেক পথ ঘুরিয়ে রাতে একটি সেচপাম্পের ঘরে নিয়ে রকি ও তার তিন বন্ধু মিলে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। বিষয়টি দেখে ফেলে অপর একটি গ্রুপের তিন যুবকও কিশোরীকে ধর্ষণ করে।
পরদিন সকালে মুক্তি পেয়ে সেখান থেকে কালীগঞ্জ প্রেস ক্লাবে গিয়ে সাংবাদিকদের ঘটনাটি জানায় সে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় এবং এ ঘটনায় মামলা করা হয়।
- সরকার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের শত্রু মনে করছে: সোনিয়া গান্ধী
- ভারতে ছাত্র আন্দোলন তীব্র, সরকারের সঙ্গে বৈঠকেও মিলছে না সমাধান
- উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা
- উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
- বৃষ্টিতে সরবরাহে ধাক্কা, সবজি-ডিম-মাছের বাজারে অস্বস্তি
- এসএমসিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, লাগবে স্নাতক ডিগ্রি
- দিল্লির আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলে কটাক্ষের শিকার প্রীতি জিনতা
- ছাত্রী হলের টয়লেটে গোপনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা, ক্যান্টিনকর্মী আটক
- মোবাইলেই শনাক্ত করুন হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা
- উত্তাল দিল্লি, বিশেষ ঘোষণা মোদির
- টানা বৃষ্টিতে তছনছ কৃষি-অর্থনীতি
- পিরিয়ড বন্ধের আগে শরীর দেয় যেসব সংকেত, জানুন করণীয়
- দেড় হাজার বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী আয়া সুফিয়া
- বিক্রির জন্য বাড়িতেই গাঁজা চাষ, গাছসহ নারী আটক
- ৪ অঞ্চলে‘অতি ভারী’বৃষ্টির পূর্বাভাস, চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা
- ভারতে ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন বাড়ছে, সংসদ অচল
- টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা
- দিল্লির আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলে কটাক্ষের শিকার প্রীতি জিনতা
- পিরিয়ড বন্ধের আগে শরীর দেয় যেসব সংকেত, জানুন করণীয়
- মোবাইলেই শনাক্ত করুন হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা
- ৪ অঞ্চলে‘অতি ভারী’বৃষ্টির পূর্বাভাস, চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা
- এসএমসিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, লাগবে স্নাতক ডিগ্রি
- চারদিন পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট
- উত্তাল দিল্লি, বিশেষ ঘোষণা মোদির
- বৃষ্টিতে সরবরাহে ধাক্কা, সবজি-ডিম-মাছের বাজারে অস্বস্তি
- উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
- উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা
- টানা বৃষ্টিতে তছনছ কৃষি-অর্থনীতি
- বিক্রির জন্য বাড়িতেই গাঁজা চাষ, গাছসহ নারী আটক
- দেড় হাজার বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী আয়া সুফিয়া



