ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪১:২৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা ‘ডেইরি ফার্ম জাতীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত’

৮৬ বছর পর তুরস্কের হাইয়া সোফিয়ায় আজান দেয়া হল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৪ পিএম, ১১ জুলাই ২০২০ শনিবার

৮৬ বছর পর তুরস্কের হাইয়া সোফিয়ায় আজান দেয়া হল

৮৬ বছর পর তুরস্কের হাইয়া সোফিয়ায় আজান দেয়া হল

৮৬ বছর পর তুরস্কের ইস্তাম্বুলের হাইয়া সোফিয়ায় শোনা গেল আজান ধ্বনি। দেশটির এক আদালতের রায়ের পর ইস্তাম্বুলের খ্যাতনামা হাইয়া সোফিয়ায় আজান দেয়া হয়েছে।

এর আগে সাবেক এই গির্জাকে জাদুঘরে পরিণত করা ঠিক ছিল না বলে রায় দিয়েছে তুর্কী আদালত।

আলোচিত হাজিয়া সোফিয়াকে ফের মসজিদে রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। গতকাল শুক্রবার দেশটির প্রশাসনিক আদালত থেকে রায় পাওয়ার এক ঘণ্টা পর এ ঘোষণা দেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএননের খবরে বলা হয়, শুক্রবার আদালতের রায় পাওয়ার পর টেলিভিশনে ভাষণ দেন এরদোগান। তিনি জানিয়েছেন, হাজিয়া সোফিয়া আগামী ১৫ জুলাই মুসলিমদের প্রার্থনার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। নিজের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানাতে তুরস্কবাসীকে অনুরোধ করেছেন এরদোগান।

এর আগে এরদোগান হাজিয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করার জন্য এটিকে ধর্ম মন্ত্রণায়লকে বুঝিয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতি এক ডিক্রি জারি করেন।

গত মে মাসে ইস্তাম্বুল বিজয়ের বর্ষপূর্তিতে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান হাজিয়া সোফিয়াতে নামাজ আদায় করেন। ওই সময় এটিকে মসজিদে রূপান্তরের ঘোষণা দেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিস ও রাশিয়া তীব্র সমালোচনা করে।

ষষ্ঠ শতাব্দীতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অধিপতি সম্রাট প্রথম জাস্টিনিয়ানের নির্দেশে হাজিয়া সোফিয়া নির্মিত হয়। ওই সময় এটিই ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গির্জা। এরপর ১৪৫৩ সালে ইস্তাম্বুল অটোম্যান সাম্রাজ্যের দখলে গেলে একে মসজিদে পরিণত করা হয়।

এরপর ১৯৩৪ সালে মুস্তফা কামাল আতাতুর্ক স্বাক্ষরিত এক ডিক্রিতে মসজিদটিকে জাদুঘরে পরিণত করা হয়। এটি ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য।