ঢাকা, মঙ্গলবার ১০, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৩৪:০২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
এবার সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত. মাত্রা ৪ ৫০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫ রয়টার্স: ক্ষমতার দোরগোড়ায় তারেক রহমান বোরকা ব্যবহার করে জাল ভোটের শঙ্কা, দায় নিতে হবে ইসিকে: বিএনপি বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য হটলাইন চালু

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০৮ এএম, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণসহ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
গতকাল সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের গ্যালারি হলে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাঙালির চিরকালীন ঐতিহ্য এবং বিশ্বজন স্বীকৃত। এ ঐতিহ্যকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে।

এ সময় সম্প্রীতির এই বন্ধন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ছিন্ন করতে না পারে, সেদিকেও সকলকে সজাগ থাকার তাগিদ দেন তিনি।

মহামতি যিশুখ্রিষ্ট মানবজাতির আলোর পথের দিশারি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে যিশুখ্রিষ্ট সৃষ্টিকর্তার মহিমা ও খ্রিষ্ট ধর্মের সুমহান বাণী প্রচার করেন। জাগতিক সুখের পরিবর্তে যিশুখ্রিষ্ট ত্যাগ, সংযম ও দানের মাধ্যমে পরমার্থিক সুখ অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সেবা, ক্ষমা, ন্যায় প্রতিষ্ঠাসহ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের শিক্ষাও দেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, শান্তি আর সমৃদ্ধির এক জনপদ বাংলাদেশ এবং এ অর্জনের পেছনে রয়েছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের নিরলস শ্রম আর অব্যাহত প্রচেষ্টা। আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পেছনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিবাচক অবদান অনস্বীকার্য।

আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে সকলের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যের বন্ধন আরো গভীর হবে।

তিনি বলেন, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের মাঝে বড়দিনের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে পারলেই এ দিনটি উদযাপন তাৎপর্যপূর্ণ হবে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, ঢাকার আর্চবিশপ বেজয় নাইসফরাস ডি’ক্রুজ, বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিওসহ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতারা যোগ দেন।