ঢাকা, শনিবার ১৯, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০০:২৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ফিজিতে প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত গ্রিন কার্ড পেতে নতুন নিয়ম জানালো ট্রাম্প প্রশাসন দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ল প্রথমবার জাপানে শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়াল সিএনএনসহ ৩ গণমাধ্যম নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প সুনামগঞ্জে বাবার হাতে বিষপানে ৩ শিশুর প্রাণহানী পাবনায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর

পাবনায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৫০ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

পাবনা সদর উপজেলায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মোস্তফা কামালের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে ক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‍উপজেলার কুলুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ সময় অভিযুক্তের পরিবারকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয় পুলিশ।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম ।


নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর গত বুধবার সকালে নিজ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে ওই শিশুর বস্তাবন্দি গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—স্থানীয় মুদি দোকানি মো. মোস্তফা কামাল (৫৫) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া মো. ইয়াসিন। গ্রেপ্তারদের গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গতকাল সন্ধ্যায় পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শিশুটি নিখোঁজ হয়। তাকে নিজের দোকানের পেছনে একটি ঘরে নিয়ে যান মোস্তফা। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে রাখেন মোস্তফা। রাতে বস্তাটি পাশের পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আজ দুপুরে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, দুপুরে উত্তেজিত জনতা সংগঠিত হয়ে মোস্তফার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড় ও ক্ষোভের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বেগ পেতে হয়।

উত্তেজিত জনতা এগিয়ে এলে পুলিশ দ্রুত বাড়ির পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নেয় এবং কিছু মালামাল সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়। হামলায় কেউ আহত হননি, বলেন তিনি।