সাহিত্য চর্চায় বাংলাদেশে কোনো বাধা নেই : প্রধানমন্ত্রী
বাসসঃ | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৬:৩০ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সোমবার
সংগৃহীত ছবি
সাহিত্য চর্চায় বাংলাদেশে কোনো বাধা নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যতই বাধা আসুক এ দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। শিক্ষা-দীক্ষা, শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি - সবদিক থেকে বাংলাদেশকে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’
সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের হাতে ‘একুশে পদক ২০২৩’ তুলে দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গতি পায় ভাষা আন্দোলন। আর ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিকে ভাষা শহীদ দিবস পালনের দাবি তোলা হয়। বারবার আঘাত আসার পরও বাংলা আজ সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে। শহীদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না।’
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু জেলে ছিলেন বলে ওনার কোনো অবদান নেই তো উনি জেলে ছিলেন কেন এই ভাষা আন্দোলন করতে যেয়েই তো তিনি কারাগারে (বন্ধী হয়েছেন)।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভাষা মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের আন্দোলন সূচনা করেছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তারই উদ্যোগে ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং আমাদের ভাষার জন্য আন্দোলন শুরু হয় ১৯৪৮ সাল থেকে। আর ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন।
পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলনে অবদানের কথা উল্লেখ আছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট পাওয়ার পরে আমি একটা ভাষণ দিয়েছিলাম। তখন একজন বিদগ্ধ জন আমাকে খুব ক্রিটিসাইজ করে একটা লেখা লিখল; যে আমি নাকি সব বানিয়ে বানিয়ে বলছি।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা রিপোর্টগুলো নিয়ে আমি আর আমার বান্ধবী বেবি মওদুদ, এমআর আক্তার মুকুলের কাছে যাই। ওনারা তো অনেক উঁচু মাপের লোক, আমাদের মতো ছোট চুনোপুটিরা কিছু লিখলে তো হবে না। তো মুকুল ভাইকে বললাম আপনার কাছে এই যে সমস্ত রিপোর্ট দিলাম, কোন তারিখে কখন কী করেছেন এখানে সব ডিটেইল আছে। ফাইলটা দিলাম; আপনি এর জবাবটা লিখুন। তিনি সত্যিই লিখেছিলেন।
বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার একটা প্রবণতা সব সময় ছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর দেখা গেল আমাদের সেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান, যে স্লোগান দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। সেই জয়বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ। ৭ই মার্চের ভাষণ, যে ভাষণে গেরিলা যুদ্ধের সমস্ত নির্দেশনা এবং সে ঐতিহাসিক কথা এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম; রেডিওতে প্রতিদিন এই বার্তাটা পৌঁছানো হতো। এই ভাষণের কারণে মুক্তিযোদ্ধারা যার যার যা কিছু ছিল তাই নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন; সেই ভাষণটাও নিষিদ্ধ। আসলে বঙ্গবন্ধুর নামই তো মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল।
ভাষা-সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশে আওয়ামী লীগ সরকারের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি যেন সুন্দরভাবে বিকশিত হয়।
তিনি বলেন, আমরা বাঙালি হিসেবেই মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে চলবো। আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি এই দেশকে আমরা আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব উন্নয়নের পথে।
ভাষা আন্দোলনে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের মাতৃভাষা দিবস, শুধু আমাদের না এটা এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশে ফেব্রুয়ারি রক্ত দিয়ে রক্তের অক্ষরে একুশের শহীদরা লিখে দিয়ে গেছেন মাকে মা বলে ডাকতে চাই।
এর আগে ভাষা শহীদদের স্মরণে ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের হাতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ বছর যারা একুশে পদক পেলেন, তারা হলেন: এ বছর যারা একুশে পদক পেলেন, তারা হলেন: ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে খালেদা মঞ্জুর-ই খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক (মরণোত্তর) এবং হাজী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান; শিল্পকলা বিভাগে অভিনয় ক্যাটাগরিতে মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ; সংগীত বিভাগে মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আবদুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর); আবৃত্তি বিভাগে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়; শিল্পকলায় নওয়াজিশ আলী খান; চিত্রকলা বিভাগে কনক চাঁপা চাকমা; মুক্তিযুদ্ধ বিভাগে মমতাজ উদ্দিন (মরণোত্তর); সাংবাদিকতায় মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর); গবেষণায় ডা. মো. আব্দুল মজিদ; শিক্ষায় অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম (মরণোত্তর); সমাজসেবায় সাইদুল হক ও অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর); রাজনীতিতে আখতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর); ভাষা ও সাহিত্যে ড. মনিরুজ্জামান এবং শিক্ষা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও সমাজসেবায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ‘একুশে পদক’ প্রবর্তন করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ ও নগদ অর্থ দিয়ে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দেয়া টাকার পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো হয়। সবশেষ গত ২০২০ সালে তা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়। গত বছর ২০২২ সালে ২৪ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে মর্যাদাপূর্ণ এ একুশে পদক দেয়া হয়।
- নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে কাল মঙ্গলবার সকালে
- ওমানকে উড়িয়ে দিয়ে জিম্বাবুয়ের শুভসূচনা
- নাইমা হায়দারসহ পদত্যাগ করেছেন হাইকোর্টের ২ বিচারপতি
- টানা দ্বিতীয় জয়ের প্রত্যাশায় নিউজিল্যান্ড
- জর্ডানের রানীকে স্বাগত জানালেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি
- চিত্রনায়িকা পরীমণিকে হত্যার হুমকি
- নির্বাচনের দিন মেট্রোরেল চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত
- অক্ষয়কে নানাভাবে প্রেমের প্রস্তাব দেয়ার চেষ্টা করেছি: কঙ্গনা
- সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
- আগামী ১০ বছরে চাঁদে শহর গড়ার স্বপ্ন ইলন মাস্কের
- আজ সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- নাটোরে বসতবাড়িতে আগুন লেগে মা-মেয়ের মৃত্যু
- মধুচন্দ্রিমার নামে স্বামীকে ফাঁদে ফেলে খুন করাল নববধূ
- জাপানের নির্বাচনে তাকাইচির দলের নিরঙ্কুশ জয়
- ঢাকাসহ আশপাশের আবহাওয়া আজ পরিষ্কার থাকবে
- সুদানে চলমান সংঘাতে এক মাসে ২০ শিশু নিহত
- নারীদের জন্য প্রকৃত সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে: জাইমা রহমান
- আজ থেকে নির্বাচনের মাঠে থাকছেন ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
- পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় আজও কোণঠাসা নারী
- আদালতে নির্যাতনের বর্ণনা দিল শিশুগৃহকর্মী মোহনা
- নাটোরে বসতবাড়িতে আগুন লেগে মা-মেয়ের মৃত্যু
- ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন: চায়ের কাপে ভোটের উত্তাপ
- জরিপে ৬০ শতাংশ ভোটারের পছন্দ তারেক রহমান
- জাপানের নির্বাচনে তাকাইচির দলের নিরঙ্কুশ জয়
- আমি হুমকিতে টলার মানুষ না: রুমিন ফারহানা
- ভোটের দিন প্রার্থী ও এজেন্টের যানবাহন ব্যবহারে নির্দেশ
- উত্তাল হয়ে উঠেছে সূর্য, ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সৌরঝড়
- জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে আবেদন
- বিপ্লবী কল্পনা দত্তের প্রয়াণ দিবস আজ
- নির্বাচনের দিন মেট্রোরেল চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত











