ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ৫:২৬:২৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা ‘ডেইরি ফার্ম জাতীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত’

গাজায় নতুন করে হামলায় নিহত আরও ৪৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০৬ এএম, ২৬ এপ্রিল ২০২৫ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

গাজায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বেশ কিছু মেডিক্যাল সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, গাজাজুড়ে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে কমপক্ষে আরও ৪৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। খবর আল জাজিরার। 

দখলদার বাহিনীর হামলায় অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই। প্রায় ১৮ মাস ধরে সেখানে সংঘাত চলছে। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত সেখানে কমপক্ষে ৫১ হাজার ৪৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ১৭ হাজার ৪১৬ জন।

তবে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০। কারণ ধ্বংসস্তূপের নিচে যারা চাপা পড়েছে তাদেরও নিহতের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। সে সময় কমপক্ষে ১ হাজার ১৩৯ ইসরায়েলি নিহত হয় এবং দুই শতাধিক মানুষকে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরায়েল। গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে এই উপত্যকাকে এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেন কাতারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ আল-খুলাইফি।

তিনি বলেন, এক মাস ধরে ইসরায়েল পুনরায় গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করার পর আলোচনা থেমে গেছে, কোনো সমঝোতা হয়নি। আলোচনার গতি নিয়ে আমরা স্পষ্টভাবে হতাশ। এটা অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয় কারণ প্রতিদিন মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আমরা অবিরাম চেষ্টা করছি দুই পক্ষকে আবার আলোচনায় বসাতে ও সেই চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে, যা পূর্বে দুই পক্ষই সমর্থন করেছিল। কিন্তু আমরা সফল হয়নি। এরপরও সব ধরনের বাধা পেরিয়ে আমরা এই প্রক্রিয়ায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবো।