ঘাঁটি বানাতে রোহিঙ্গাদের গ্রাম ধ্বংস করে মিয়ানমার সেনারা
উইমেননিউজ ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:৩১ এএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার
ছবি: সংগৃহীত
২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর লোকজনকে বিতাড়নের পর দেশটির সামরিক বাহিনী তাদের গ্রাম, মসজিদ, অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। সেই সঙ্গে তারা রোহিঙ্গাদের বিস্তীর্ণ জমি দখল করে নেয়। একটি সামরিক ঘাঁটি তৈরির জন্য তারা এটি করেছে। রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর ধ্বংসের কাজে তারা ব্যক্তিমালিকাধীন কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে। তারাই বুলডোজার দিয়ে তা বাস্তবায়ন করেছে।
মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন নিয়ে চালানো এক স্বাধীন তদন্তে এসব তথ্য উঠে এসেছে। জাতিসংঘ সমর্থিত ইন্ডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেশন মেকানিজম ফর মিয়ানমার (আইআইএমএম) এ তদন্ত চালায়।
তাদের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে গতকাল সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তৎকালীন মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ পদ্ধতিগতভাবে রোহিঙ্গাদের গ্রাম, তাদের মসজিদ, কবরস্থান ও কৃষিক্ষেত্র ধ্বংস করেছে। অফিশিয়াল রেকর্ড থাকার কারণে রোহিঙ্গাদের ভূমির অধিকার সম্পর্কে তাদের আগে থেকেই ধারণা ছিল। তথাপি তারা এটি করেছে।
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি তখন ক্ষমতায় ছিলেন। সেনা সমর্থিত তাঁর সরকার ক্ষমতায় থাকাকালেই রোহিঙ্গাদের ওপর এ গণহত্যা চালানো হয়। প্রতিবেদনের বিষয়ে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্রের সঙ্গে কথা বলতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। প্রত্যক্ষদর্শী, স্যাটেলাইট ছবি, ভিডিও ফুটেজ, অফিশিয়াল রেকর্ড ও নথিপত্র ঘেঁটে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
এর আগে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বলেছে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো অভিযানের সময় রাখাইনে তারা কোনো গণহত্যা চালায়নি। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের একদিন আগে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সহিংস হামলার মুখে হাজার হাজার মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। বর্তমানে তাদের প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যে বসবাস করছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বিস্ময়কর একটি বিষয় উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, ব্যক্তিমালিকানাধীন কোম্পানি ও তাদের সংশ্লিষ্টরা সরাসরি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তারা পরিকল্পনা ও কর্মী দিয়ে বুলডোজার ব্যবহার করে গ্রামগুলো ও অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। মিয়ানমারের তৎকালীন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের এ-সংক্রান্ত চুক্তি হয়।
রাখাইনের ইন দিন গ্রামে নতুন স্থাপনা তৈরি করতে বসতি উচ্ছেদের সময় সামরিক বাহিনী ১০ রোহিঙ্গা পুরুষকে হত্যা করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ করে ইন দিন গ্রামে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী একটি ঘাঁটি নির্মাণ করে। নতুন করে সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। সেই সঙ্গে তৈরি করা হয় দুটি হেলিকপ্টার প্যাডও। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তে ২০১৮ সালে আইআইএমএম গঠন করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল।
- ফ্রেঞ্চ ওপেনে ইতিহাস গড়ার পথে খয়ালিনস্কা
- অবশেষে ‘খোঁজ’ মিলল দুবাই রাজপরিবারের সাবেক পুত্রবধূর
- ঈদ-পরবর্তী স্বস্তি, তবু মাছের বাজারে আগুন
- আজ দেশের ৮ বিভাগেই বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
- আবারও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস ডুবি
- হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু
- ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ‘বেগম’ সম্পাদক নূরজাহান বেগমের জন্মদিন আজ
- যেসব নতুন নিয়ম দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপে
- ১৪ বছরের অগাস্টিনার হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে আর্জেন্টিনা
- পিতা-মাতার সুরক্ষা আইন: বাবা-মায়ের ভরসা নাকি কাগুজে অধিকার?
- কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত
- রামিসা ধ*র্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
- শুনানিতে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নার উদ্ভট আচরণ, পরে কান্না
- রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসি দাবি রাষ্ট্রপক্ষের
- রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসি দাবি রাষ্ট্রপক্ষের
- ১৪ বছরের অগাস্টিনার হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে আর্জেন্টিনা
- হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু
- যেসব জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে
- শুনানিতে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নার উদ্ভট আচরণ, পরে কান্না
- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: ১০ বছর পর বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল
- কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত
- রামিসা ধ*র্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
- যেসব নতুন নিয়ম দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপে
- পিতা-মাতার সুরক্ষা আইন: বাবা-মায়ের ভরসা নাকি কাগুজে অধিকার?
- ‘বেগম’ সম্পাদক নূরজাহান বেগমের জন্মদিন আজ
- অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস, দূষণ তালিকায় ১১
- বরিশাল জাদুঘর: অবহেলায় ঝুঁকিতে দুই শতকের ঐতিহ্য
- কারামুক্ত হয়ে সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আইভী
- ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী







