ঢাকা, বুধবার ১৮, মার্চ ২০২৬ ৫:১৩:১৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
লম্বা ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছে মানুষ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, রণক্ষেত্র গ্রিন জোন শেষ সময়ের ঈদ বাজার: গৃহস্থালি পণ্য কিনতে ব্যস্ত ক্রেতারা ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন নিহত কমলাপুরে ব্যাপক ভিড়, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ট্রেন ছাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ২৬ ফ্লাইট কিশোরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ নিহত ৬ জাতির পিতার জন্মদিন আজ উইমেননিউজের প্রধান উপদেষ্টা রিজিয়া মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

চীনে স্কুলের খাবার খেয়ে হাসপাতালে ২৩৩ শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:৪৮ পিএম, ৮ জুলাই ২০২৫ মঙ্গলবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

`খাবারযোগ্য নয় এমন রং’ ব্যবহার করে তৈরি খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে চীনে প্রায় আড়াইশত স্কুল শিক্ষার্থী। তাদের এখন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, গানসু প্রদেশের তিয়ানশুই শহরের একটি কিন্ডারগার্টেন থেকে নেওয়া খাবারের নমুনা পরীক্ষায় জাতীয় নিরাপত্তা সীমার চেয়ে ২ হাজার গুণ বেশি সীসার মাত্রা পাওয়া যাওয়ার পর আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে ২৩৩টি শিশুর রক্তে উচ্চ মাত্রার সীসা পাওয়া গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলটির অধ্যক্ষ কিচেন স্টাফদের অনলাইন থেকে রং কিনতে বলেছিলেন। কিন্তু শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ার পর লুকিয়ে রাখা রং খুঁজে পেতে তল্লাশি চালাতে হয়েছিলো।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই রংয়ের ওপর পরিষ্কার করে লেখা ছিলো ‘খাওয়ার উপযোগী নয়’।

একজন অভিভাবক বিবিসিকে বলেছেন, তার পুত্রের লিভার ও হজম প্রক্রিয়ার ওপর এটি দীর্ঘমেয়াদে কেমন প্রভাব ফেলে তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

আরেকজন অভিভাবক সতর্ক করার পর গত সপ্তাহে লিও নামে একজন অভিভাবক তার সন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার ছেলের এখন দশ দিন চিকিৎসা নিতে হবে।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব মিডিয়া স্কুলের রান্নাঘরের সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ প্রচার করেছে। এতে দেখা যাচ্ছে কর্মীরা খাবারে রঙ্গিন পদার্থ মাখাচ্ছেন।

অধ্যক্ষ ও আরও সাতজন ওই প্রাইভেট কিন্ডারগার্টেন স্কুলটি চালাচ্ছিলেন। বিষাক্ত ও ক্ষতিকর খাবার দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

কতদিন ধরে স্কুলটিতে খাবারে এগুলো মেশানো হচ্ছিলো তা এখনো পরিস্কার নয়। তবে অভিভাবকরা কেউ কেউ রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমকে বলেছে যে, গত মার্চ থেকেই তাদের সন্তানরা পাকস্থলী ও পায়ে ব্যথার এবং ক্ষুধামন্দার কথা বলছিলো।