ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০১, অক্টোবর ২০২৬ ৪:১২:০৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে মমতা মেঝে বারান্দা করিডোরেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে ডেঙ্গু রোগীদের জাতীয় কন্যা শিশু দিবস আজ অর্থায়ন কাটছাঁটে ঝুঁকিতে ৮৩ লাখ শরণার্থী: জাতিসংঘ সুপার এল নিনিয়ো: বিশ্বজুড়ে চরম বিপর্যয় ও প্রাণহানির শঙ্কা দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি

জাতীয় কন্যা শিশু দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৩ এএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে কন্যাশিশুদের অবস্থান বিশ্লেষণ করলে অগ্রগতি ও উদ্বেগের এক মিশ্র চিত্র সামনে আসে। বিগত বছরগুলোতে সরকারি নানা উদ্যোগ ও উপবৃত্তির কল্যাণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের ভর্তির হার প্রশংসনীয়ভাবে বেড়েছে এবং লৈঙ্গিক সমতা অর্জিত হয়েছে।

তবে পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাথমিক ধাপ পার করে মাধ্যমিকে পৌঁছালে তাদের ঝরে পড়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষায় কন্যাশিশুর অংশগ্রহণ ও সাফল্য বাড়লেও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার চিত্রটি এখনো উদ্বেগজনক।

উপাত্ত অনুযায়ী, মাধ্যমিক পর্যায়ে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার প্রায় ৩০ দশমিক ৬৩ শতাংশ। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হার আরও বেশি- প্রায় ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। অর্থাৎ প্রাথমিক শিক্ষায় মেয়েরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও মাধ্যমিকের ধাপে এসে তাদের একটি বড় অংশ শিক্ষার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছে না।

মেয়েদের এই ঝরে পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বাল্যবিবাহ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭১ শতাংশ মেয়ে বাল্যবিবাহের কারণে পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়ে। ফলে বিদ্যালয়ে মেয়েদের ভর্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

কন্যাশিশুর শিক্ষা শুধু একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন। তাই কন্যাশিশুকে বিদ্যালয়ে আনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহের ঝুঁকি থেকে তাদের সুরক্ষা দেওয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।