ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৫৩:৪৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের নারী ভোটারদের পদচারণায় মুখর ভোটকেন্দ্র রাজধানীসহ সারা দেশে ভোটগ্রহণ চলছে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব ভোট দিয়ে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তারেক রহমান

বন্যায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ১৯ হাজারের বেশি, মৃত্যু ১২১

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৪৭ পিএম, ১৬ জুলাই ২০২২ শনিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সারাদেশে চলমান বন্যায় পানিবাহিতসহ বিভিন্ন রোগে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৫১৫ জন। এ ছাড়া বন্যায় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং বন্যা সৃষ্ট দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১ জনে।

শনিবার সন্ধ্যায় দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বন্যাজনিত কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও এ সময়ে নতুন করে ৫৫৭ জন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের ১৪ জেলায় এখন পর্যন্ত ১২১ জন মারা গেছেন। সিলেট বিভাগেই ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট সদর উপজেলায় ২০, সুনামগঞ্জে ২৯, মৌলভীবাজারে ১১ ও হবিগঞ্জে ৭ জন মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ৪১ জনের। এর মধ্যে ময়মনসিংহে ৬, নেত্রকোণায় ১৯, জামালপুরে ৯ ও শেরপুরে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত বন্যায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রামে ৫ ও লালমনিরহাটে ৭ জন মারা গেছেন। এ ছাড়াও ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইলে বন্যায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ১৭ মে থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৮৮৯ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ডায়রিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরটিআই (চোখের রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৯৩০ জন, এ রোগে কারো মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকায় বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, তাদের মধ্যে ১৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। সাপের দংশনে ২১ জন আক্রান্ত হয়েছেন, দুজনের মৃত্যু হয়েছে। পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ৯৪ জনের।

চর্ম রোগে দুই হাজার ১৯৯, চোখের প্রদাহজনিত রোগে ৩৪১ ও নানাভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন ৪৯৯ জন। এ ছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৮৭ জন এবং তাদের মধ্যে মারা গেছেন ৯ জন।