ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৫৯:০৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
আগস্টে ধর্ষণের শিকার ৫৪ জন, ৩৬ জন কন্যাশিশু চলতি মাসে ৩ লঘুচাপ, বন্যার আভাস নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ তিন দফা কমার পর দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রী নেপালে বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ১২২৫, নিখোঁজ ৪৭৫৭

ভারত ছেড়ে কেন লন্ডনে সংসার গড়লেন বিরাট-আনুশকা?

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১৫ এএম, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মার লন্ডনে বসবাস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা রয়েছে। কেন এই তারকা দম্পতি ভারত ছেড়ে যুক্তরাজ্যে থাকতে চেয়েছেন, তা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা জল্পনা সামনে এসেছে। এবার মাধুরী দীক্ষিতের স্বামী চিকিৎসক ড. শ্রীরাম নেনের একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারের বক্তব্য ঘিরে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

এক পডকাস্টে ড. নেনে দাবি করেছিলেন, আনুশকা শর্মার সঙ্গে লন্ডনে বসবাসের বিষয়টি নিয়ে তার কথাও হয়েছিল। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত জীবনকে আরও স্বাভাবিকভাবে উপভোগ করা এবং সন্তানদের তুলনামূলকভাবে সাধারণ পরিবেশে বড় করার ইচ্ছা থেকেই লন্ডনকে বেছে নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন বিরাট-আনুশকা।

ড. নেনের ভাষ্য, ভারতে বিরাট ও আনুশকার মতো অত্যন্ত জনপ্রিয় তারকা দম্পতির পক্ষে ব্যক্তিগত পরিসর ধরে রাখা বেশ কঠিন। বাইরে বের হলে তাদের ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ, ক্যামেরা ও ছবি তোলার আবদার নিয়মিতই থাকে। ফলে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে এর চাপও তৈরি হয়।

নেনের দাবি, আনুশকা তাকে জানিয়েছিলেন, অতিরিক্ত মানুষের ভিড় ও সার্বক্ষণিক নজরদারি লন্ডনে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। সেখানে তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রেখে জীবনযাপন করা সম্ভব, এমনটাই তারা চেয়েছিলেন বলে ওই সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দেন তিনি।

বিরাট ও আনুশকার দুই সন্তান রয়েছে। পরিবারের জন্য ব্যক্তিগত ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলেও ওই বক্তব্যে উঠে আসে।

তবে বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা নিজেরা লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাসের কারণ হিসেবে ড. নেনের এই বক্তব্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন, এমন তথ্য নেই। ফলে লন্ডনে তাদের বসবাসের পেছনে ঠিক কোন কারণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তা নিয়ে আলোচনা এখনো মূলত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া