ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:০২:১৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা ‘ডেইরি ফার্ম জাতীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত’

রোজায় শরীরের ক্লান্তি দূর করতে যা করতে পারেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক  | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫১ এএম, ১৮ মার্চ ২০২৫ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রমজানে সারাদিন রোজা রাখার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা, শক্তির ঘাটতি ও ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মেনে চললে সহজেই ক্লান্তি দূর করা সম্ভব।

তবে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, মসলাযুক্ত খাবার ও কোল্ড ড্রিংকস, যা ক্লান্তি বাড়ায়, অতিরিক্ত চা-কফি যা পানিশূন্যতা বাড়ায় এসব খাবার এড়িয়ে চলুন। আর দেখে নিন কোন খাবার এবং কীভাবে নিজেকে ক্লান্তিহীন রাখতে পারেন পুরো রমজান মাস-

১. সেহরিতে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন
সেহরিতে এমন খাবার খাওয়া উচিত যা দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায় এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। যেমন- প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: ডিম, দুধ, দই, বাদাম ও চিয়া সিডস দীর্ঘক্ষণ শক্তি দেয়। ফাইবারযুক্ত খাবার: লাল আটার রুটি, ওটস, ফলমূল (আপেল, কলা, খেজুর) হজম হতে সময় নেয়, ফলে ক্ষুধা কম অনুভূত হয়। হাইড্রেটিং খাবার: শসা, তরমুজ, ডাবের পানি শরীরকে আর্দ্র রাখে।

২. ইফতারে ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্য গ্রহণ করুন
ইফতারের সময় দ্রুত শক্তি ফিরে পাওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা জরুরি। প্রথমে খেজুর ও এক গ্লাস পানি বা ডাবের পানি পান করুন। তারপর স্যুপ, ফল, দই, সালাদ ও হালকা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন (৮-১০ গ্লাস)।

৩. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন
রোজায় ঘুমের রুটিন এলোমেলো হয়ে গেলে শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত অনুভব করতে পারে। ৬-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। সেহরির পর ১-২ ঘণ্টা বিশ্রাম নিন। দিনের মধ্যে ২০-৩০ মিনিট পাওয়ার ন্যাপ (ছোট ঘুম) নিন।

৪. হালকা ব্যায়াম করুন
অনেকেই মনে করেন রোজায় ব্যায়াম করা উচিত নয়, তবে হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে। ইফতারের ১-২ ঘণ্টা পর হালকা ব্যায়াম করুন। প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট হাঁটুন। তবে কঠোর ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন, যা ক্লান্তি বাড়াতে পারে।

৫. অতিরিক্ত কাজ এড়িয়ে চলুন
রোজায় অতিরিক্ত কাজ বা মানসিক চাপ ক্লান্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। কাজের চাপ কমিয়ে পরিকল্পনা করুন। যদি সম্ভব হয়, দুপুরে বা বিকালে বিশ্রাম নিন। কোনো কাজে চাপ অনুভব করলে গভীর শ্বাস নিন ও ধীরগতিতে কাজ করুন।

৬. মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখুন

রোজার সময় মানসিক প্রশান্তি থাকাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইবাদত ও মেডিটেশন করুন। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান, ইতিবাচক চিন্তা করুন।