ঢাকা, শুক্রবার ১৪, আগস্ট ২০২৬ ০:৪১:৫০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বিএনপির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মির্জা ফখরুল হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তীব্র গ্যাস সংকটে অচল ফিলিং স্টেশন, বাসাবাড়িতে ভোগান্তি না.গঞ্জে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে মা-ছেলের পর বাবারও মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলাইন লেভিট

সামিরা-ডনের অন্তরঙ্গ ছবি, সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:১৩ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০২৬ বৃহস্পতিবার

সামিরা-ডনের অন্তরঙ্গ ছবি নিয়ে বিতর্ক,  সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

সামিরা-ডনের অন্তরঙ্গ ছবি নিয়ে বিতর্ক,  সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি ঘিরেও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে সালমান শাহর স্ত্রী সামিরার সঙ্গে হত্যা মামলার আসামি ডনের ঘনিষ্ঠ ছবি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা দাবি সামনে এসেছে।
  
তবে আলোচিত ওই ছবির পরিচয় ও পেছনের ঘটনা নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। সামিরা ও তার তৎকালীন স্বামী মোস্তাক ওয়াইজ দাবি করেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবির নারী সামিরা নন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছবিতে থাকা নারী ছিলেন অভিনেত্রী সাবরিনা।
  
মোস্তাক ওয়াইজের দাবি, ছবিটি ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তোলা হয়েছিল। সালমান শাহ মজা করে ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে ওই ছবি তুলেছিলেন বলেও তিনি জানান।

অন্যদিকে ডনের সঙ্গে সামিরার একটি আলাদা ছবি ছিল বলেও দাবি করেন মোস্তাক। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেই ছবিতে সামিরা একটি ম্যাগাজিন পড়ছিলেন এবং সালমান শাহ ছবিটি তুলেছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিকে ফটোশপে সম্পাদিত বলেও দাবি করেছিলেন সামিরা ও মোস্তাক। তাদের বক্তব্য ছিল, ছবিগুলোকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে সামিরার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছে।
 
এদিকে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ডনের নাম নতুন করে আলোচনায় আসায় পুরোনো এসব ছবিও আবার সামনে এসেছে। ফলে ছবিগুলোর প্রকৃত ঘটনা নিয়ে ফের শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে ভাইরাল কোনো ছবি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাবিকে এককভাবে ঘটনার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।