ঢাকা, শনিবার ২৩, অক্টোবর ২০২১ ১৫:১০:২১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মণ্ডপে হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে গণঅনশন ট্রেনে কাটা পড়ে ছেলেসহ বাবা-মা নিহত যুক্তরাজ্যে নতুন বিপদ ‘ডেল্টা প্লাস’ ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফের অনশনে বিএফইউজে নির্বাচনের ভোট শুরু বিশ্বজুড়ে বেড়েছে সংক্রমণ, কমেছে মৃত্যু

আফগানিস্তানের নারী ফুটবলাররা আশ্রয় পেলেন পর্তুগালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:১৭ পিএম, ১ অক্টোবর ২০২১ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর সে দেশের যুব নারী দলের ফুটবলারদের কয়েকজন সপরিবারে পর্তুগালে আশ্রয় নিয়েছেন৷ তাদের একজন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে দেখা হওয়ারও স্বপ্ন দেখছেন৷

আগস্টের মাঝামাঝি তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে৷ এরপর তারা জানিয়ে দেয়, মেয়েদের হয়ত খেলাধুলা করার অনুমতি দেওয়া হবে না, কারণ, তারা মনে করে এটি ‘প্রয়োজনীয় নয়’৷ এবং মেয়েদের এতে মুখ ও শরীর ঢাকা থাকবে না৷ তাই সে দেশের যুব নারী দলের ফুটবলারদের কয়েকজন পরিবারসহ ১৯ সেপ্টেম্বর পর্তুগালে পৌঁছেছেন৷ মোট ৮০ জন পর্তুগাল গেছেন৷ তাদের মধ্যে বাচ্চাও আছে৷ পর্তুগাল তাদের আশ্রয় দিয়েছে৷

অধিনায়কের উদ্যোগ
আফগানিস্তানের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক ফারখুন্দা মুহতাজ  ঐ ফুটবলারদের পর্তুগালে নেয়ার ব্যবস্থা করেন৷ মুহতাজ নিজে ক্যানাডায় থাকেন৷ সেখানে তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের সহকারি কোচ৷ বুধবার রাতে তিনি ফুটবলারদের সঙ্গে দেখা করতে লিসবন গিয়েছিলেন৷

আবেগঘন মিলন
তরুণী ফুটবলাররা মুহতাজকে কাছে পেয়ে জড়িয়ে ধরে৷ কেউ কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি৷ মুহতাজ জানান, ‘‘তারা তাদের ভালোবাসার খেলাটি খেলতে পারবে এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে আমরা এই পদক্ষেপ (নারী ফুটবলারদের সরিয়ে নেওয়া) নিয়েছিলাম৷’’

রোনালদোর দেখা পাওয়ার স্বপ্ন
পর্তুগালে পৌঁছানো ফুটবলারদের একজন ১৫ বছর বয়সি সারাহ৷ দেশ ছাড়তে কষ্ট হলেও পর্তুগালে গিয়ে সে নিজেকে নিরাপদ ভাবছে৷ সম্ভব হলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে দেখা করতে চায় সে৷ রয়টার্সকে সে বলেছে, ‘‘এখন আমি মুক্ত৷ আমার স্বপ্ন রোনালদোর মতো একজন ভালো খেলোয়াড় হওয়া৷ পাশাপাশি পর্তুগালে একজন বড় ব্যবসায়ী হতে চাই৷

দেশে ফেরা?
সারাহর আশা, একদিন আবার সে মাতৃভূমিতে ফিরে যাবে৷ তবে অবশ্যই সেখানে মুক্ত ও স্বাধীনভাবে বসবাস করার অধিকার পাওয়া গেলে তবেই৷ তার মা অবশ্য আফগানিস্তানে ফেরার তেমন কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না, কারণ, আফগানিস্তানে আগেও তালেবানের শাসন দেখেছেন তিনি৷