ঢাকা, মঙ্গলবার ০৩, মার্চ ২০২৬ ৪:৫৫:৩২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আহত খামেনির স্ত্রীও মারা গেলেন ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ সকাল থেকে বাংলাদেশের ‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ শুরু আজ সন্ধ্যায় একুশে বইমেলা: পঞ্চম দিনেও ফাঁকা, হতাশ বিক্রেতারা মধ্যপ্রাচ্য হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, আহত ৭

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত জুতা-স্যান্ডেলেন কারিগররা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১৮ পিএম, ২ মার্চ ২০২৬ সোমবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

যেকোনো উৎসবে নিজেকে রাঙিয়ে তুলতে পছন্দ করে সকলেই। মুসলমানদের অন্যতম বড় উৎসব রমজানের ঈদকে ঘিরে ছেলে-বুড়ো সব বয়সের মানুষের মাঝে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে আগ্রহের কমতি থাকে না। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে বাহারি পোশাকের পাশাপাশি সাজের অন্যতম অনুষঙ্গ পাদুকা বা জুতা নিয়েও চলে পছন্দের প্রতিযোগিতা। কে কার চেয়ে সুন্দর, ফ্যাশনাবল ও আধুনিক ডিজাইনের এই পণ্যটি ক্রয় করতে পারলো, এ নিয়ে চলে আয়োজন।

আর তাই ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে জুতা তৈরির কারখানাগুলোতে শ্রমিক-মালিক, বাজারে পাইকারি আর খুচরা বিক্রেতাদের মাঝে ধুম লেগে যায় জুতা তৈরি, বিক্রি আর বাজারজাতের জন্য।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জের ভৈরব জুতা তৈরির অন্যতম বিকাশমান এলাকা। এখানে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের প্রায় পাঁচ হাজারের মতো কারখানা গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে ৪০টির মতো আছে রপ্তানিমুখী আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ বৃহৎ কারখানা। আর এইসব কারখানাকে ঘিরে রয়েছে ৫০টিরও বেশি পাদুকাপল্লী এবং দেশের অন্যতম দ্বিতীয় বৃহত্তম পাইকারি বাজার। 

সংশ্লিষ্টদের দাবি শুধুমাত্র রমজানের ঈদকে উপলক্ষ্য করে এখানে এক থেকে দেড় হাজার কোটি টাকার জুতা তৈরি ও সারাদেশে বিক্রি হয়ে থাকে। 

শহরের মুসলিমের মোড় এলাকার কারখানা শ্রমিক খুরশিদ মিয়া, গাছতলাঘাটের আলাউদ্দিন, লালু-কালু পাদুকাপল্লীর খবির মিয়া ও গোধূলি সিটি এলাকার রোজিনা বেগম বলেন, সারা বছর তাদের কাজের তেমন একটা চাপ না থাকলেও, রমজানের ঈদকে সামনে রেখে বেড়ে যায় বহুগুণ। তারাও তখন বাড়তি আয়ের আশায় দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে থাকেন। স্থানীয়ভাবে নিজেদের এলাকায় থেকে কাজের যে মজুরি পান, তারা ভালোই চলতে পারেন বলে অভিমত দেন তারা।

জিয়া পাদুকা পাইকারি মার্কেটের আল আমিন মিয়া, বশির পাদুকা কমপ্লেক্সের নজির মিয়া এবং জিসান মার্কেটের রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশব্যাপী বাজারের ব্যাপক চাহিদা মতো জুতা তৈরি করতে রমজানের আগে থেকেই চলে ব্যাপক প্রস্তুতি বা কর্মযজ্ঞ। হাজার হাজার শ্রমিক তাদের নাওয়া খাওয়া ভুলে দিন-রাত পরিশ্রম করে। আর তারা ব্যস্ত থাকেন উৎপাদিত পণ্যটি দ্রুত ও দেশব্যাপী যেন বিক্রি করে অধিক মুনাফা আয় করতে পারেন। তাই তাদেরও যেনো এতটুকু ফুরসত থাকে না। তারা জানান, তাদের তৈরি জুতার মান ভালো, টেকসই আর দামে সুলভ হওয়ায়, দেশব্যাপী ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

অপরদিকে রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর-এইসব অঞ্চলের পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখানে ছুটে আসেন এখানে জুতা কিনতে।

ওসমান মাহমুদ, সিলেটের ইকবাল হোসেন ও ময়মনসিংহের নূরুজ্জামান বলেন, যাতায়াত সুবিধা, গুণগত মানে সেরা ও দামে সাশ্রয়ী হওয়ায় এবং সর্বোপরি এখানকার ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ তাদের অনুকূলে থাকায় তারা ভৈরবে আসেন জুতা কিনতে।