ছেলের ছদ্মবেশে ইটভাটায় ১৮ বছর কাজ করছে সিতারা!
অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কমআপডেট: ০২:৫৫ এএম, ২৮ এপ্রিল ২০১৮ শনিবার
মন থকে আস্ত রক্ত-মাংসের শরীরটা, গোটাটাই মেয়েদেরই তার ৷ তবুও বছরের পর বছর সেই পরিচয়ে পরিচিত হতে না পারার যন্ত্রণা, সে কী কম কথা?
মেয়ে হয়েও এক দশকের বেশি সময় ছেলে সেজে থাকার যে কষ্ট, তা জানেন শুধু সিতারা ওয়াফাদারই ৷ ১৮ বছরের ওই তরুণীর বাড়ি আফগানিস্তানের নাঙ্গারহার প্রদেশে ৷
বাবা-মা তাকে জোর করে তাকে এক দশকেরও বেশি সময় ছেলের বেশ ধরে থাকতে বাধ্য করেছিলেন ৷ বাড়িতে মেয়ে আর বাইরে ছেলে এমন দ্বৈত পরিচয়েই সিতারা থেকে গিয়েছেন বছরের পর বছর ৷ আর এই ধরনের মানুষকে আফগানিস্তানে ‘বাছা পোশি’ বলা হয় ৷ কিন্তু কেন এমনভাবে থাকতেন সিতারা?
রক্ষণশীল আফগানিস্তানে সিতারার এই দ্বৈত চরিত্রের পিছনে রয়েছে গভীর বেদনার ইতিহাস। দেশটিতে মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের কদর বেশি । নারীদের বেশির ভাগ সময় নিজের বাড়ির গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হয় । বাবা ছাড়া তাঁদের পরিবারের কোনও পুরুষ মানুষ নেই। বাইরের সমাজে মেয়েদের পদে পদে সমস্যা সৃষ্টি হয় ৷ হতে হয় যৌন হয়রানির শিকার । কিন্তু ছেলে হলে আর এ সব সমস্যা স্পর্শ করতে পারে না। মূলত মেয়েদের জটিলতা এড়াতে এবং দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করতেই তার এই ছদ্মবেশী জীবনযুদ্ধ ।
সিতারারা পাঁচ বোন। তবে তার বাবা-মা চেয়েছিলেন তাদের পুত্র সন্তান হোক ৷ পুত্র সন্তান হলে সে বাইরে খেটে অর্থের সংস্থান করতে পারবে ৷ আর তাতে পারিবারিক সমস্যা খানিকটা হলেও মিটবে ৷ কিন্তু বিধি বাম৷ সিতারার বয়স যখন আট বছর, পেটের টানেই তখন থেকে তিনি ইটভাটায় কাজ শুরু করেন।
তার বড় চার বোনের বিয়ে হওয়ার আগ পর্যন্ত স্কুলে যাওয়ার পরিবর্তনে ইটভাটায় ইট তৈরির কাজই করেছিলেন। আর সেই পথেই এখন রয়েছেন সিতারা। সকাল সাতটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দিনে প্রায় ৫০০ ইট তৈরি করেন তরুণের ছদ্মবেশী এই তরুণী।
তিনি এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এই কাজ করে আমি লজ্জিত নই। কিন্তু মানুষ আমার বয়স নিয়ে কথা বলে। তারা বলে, তুমি সাবালক হয়ে গেছ এবং এখন তোমার ইটভাটায় কাজ করা ঠিক নয়।’
যদি সবাই বুঝতে পারে যে, তিনি ১৮ বছরের তরুণী, এবং সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ইটভাটায় তিনি কাজ করেন, তাহলে তাকে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। এমনটাই ভয় সিতারার৷
এখনও প্রতিদিন ইটভাটায় অমানুষিক খাটুনি খেটে যাচ্ছেন এই তরুণী ৷ জানেন না কোনওদিনও ছেলের খোলস ছেড়ে পুরোপুরি মেয়েদের মতো বাঁচার সম্পূর্ণ অধিকার পাবেন কিনা ৷ সমাজের কাছে তার একটাই প্রশ্ন-‘আমার কী করা উচিত, আমার বিকল্প কোনো পথ নেই।’
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি

