ঢাকা, সোমবার ২৩, মার্চ ২০২৬ ১০:৪৬:৩৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
একাত্তরে গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১২ দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ

ধোনির স্ত্রীর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

খেলাধুলা ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০০ এএম, ২৫ জুলাই ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ফের খবরের শিরোনামে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ধোনি ও তার স্ত্রীর কোম্পানির বিরুদ্ধে।

ভারতিয় পত্রিকা বলছে, টাকা নিয়েও সময় মত ক্রেতাদের হাতে বাড়ির চাবি তুলে দিচ্ছে না, এমনই অভিযোগ ওঠেছে আম্রপালী গ্রুপের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে সরকারি নির্মাণ সংস্থা এনবিসিসি-কে দায়িত্ব দিয়েছে, ওই গৃহ প্রকল্পগুলির দায়িত্ব হাতে নিয়ে সময় মত শেষ করতে।

এই আম্রপালী মামলায় এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ফরেন্সিক অডিটর পবন কুমার আগরওয়াল ও রবীন্দ্র ভাটিয়া সুপ্রিম কোর্টকে জানান, আম্রপালী ঋতি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড ও আম্রপালী মাহি ডেভেলপমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে অনৈতিক চুক্তি করেছিল।

ধোনিকে সবাই মাহি ও ধনির স্ত্রী সাক্ষীকে ঋতি নামেও চেনেন। আম্রপালী মাহি ডেভেলপমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে ডিরেক্টর সাক্ষী ধোনি। আর ধোনি এই কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন ২০১৬-র এপ্রিল পর্যন্ত। পরে ক্রেতাদের বাড়ি না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে চাপ তৈরি হওয়ায় সরে আসেন ধোনি।

ভারতিয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরুণ মিশ্র ও ইউ ইউ ললিতের ডিভিশন বেঞ্চকে গত মঙ্গলবার ফরেন্সিক অডিট রিপোর্টে জানানো হয়েছে, গৃহ প্রকল্পের ক্রেতাদের টাকা বেআইনিভাবে ঋতি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট তার রায়ে জানিয়েছিল, এই প্রকল্পের টাকা অন্য পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য ২৩টি কোম্পানি তৈরি করা হয়েছিল। কোম্পানিগুলি তৈরি হয়েছিল অফিসের কাজের লোক, যাদের বিশেষ কোনও আয় নেই এমন লোকেদের নামে। এই ২৩টি কোম্পানির মধ্যে রয়েছে আম্রপালী মাহি এবং আম্রপালী মিডিয়া ডিভিশন প্রাইভেট লিমিটেড।

অডিট রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, আম্রপালী গ্রুপ থেকে ঋতি, ২০০৯ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মোট ৪২.২২ কোটি টাকা পেয়েছে। যার মধ্যে আম্রপালী স্যাফাইয়ার ডেভলপমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডকে দেয়া হয়েছে ৬.৫২ কোটি টাকা। কেন ঋতিকে এত টাকা দেয়া হল তা পরিষ্কার নয়।

এছাড়াও আরও অনেক অনিয়ম রয়েছে বলে জানা গেছে। ঋতি ও আম্রপালীর মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি মোটেই পরিষ্কার নয় এমন তথ্যও উঠে এসেছে।