ঢাকা, শুক্রবার ২০, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৪:৪৫:১৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশে আবারও ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল ছাতক ভিসা জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ৫০ তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ রোজায় নতুন সময়সূচিতে চলছে মেট্রোরেল সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মন্ত্রণালয়ের কাজ গতিশীল করতে চাই: আফরোজা খানম

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি ৩৫, ১১ দলীয় জোটের আসন ১৩

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০০ এএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করে সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। এখন বাকি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শিগগির আয়োজন করা হবে। ঈদুল ফিতরের আগেই এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

গতকাল আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

সংরক্ষিত নারী ৫০ আসনে ভোট কবে, এমন প্রশ্নের উত্তের মাছউদ বলেন, খুব বেশি সময় নেবো না। ঈদের আগেই তফসিল করে ফেলবো। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে। রোজার মধ্যেই আমাদের এই নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে। 

সংসদীয় আসন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনও যত দ্রুত সময়ে সম্ভব অনুষ্ঠিত হবে। তবে রমজান মাসের মধ্যে হবে না। ঈদের পর এটি হবে ইনশাআল্লাহ।

কোন দল কতটি নারী আসন পেতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। ফলে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে সংসদে কমপক্ষে ছয়টি আসন পেতে হবে। আবার দলগুলো জোটবদ্ধ হয়েও নারী আসন পেতে পারে। চাইলে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা জোট করে সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন। 

গেজেট অনুযায়ী, ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোট এবং ১৩টি জামায়াত জোট পেতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। কয়েকজন প্রার্থী ভোটের ফলাফল এখনো মেনে নেননি। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ইসি মাছউদ বলেন, গেজেট হওয়ার পর আমাদের কিছু করার থাকে না। প্রার্থী চাইলে আদালতে যেতে পারেন।

ইসি থেকে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি জোট ২১১টি আসন, জামায়াত জোট ৭৪টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসন পেয়েছে। ফলে স্বতন্ত্ররাও সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন। 

অন্যদিকে, খেলাফত মজলিস একটি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দু’টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয়লাভ করে। ফলে এসব দল সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার যোগ্য হয়নি। চাইলে এ দলগুলো অন্য দলের সঙ্গে জোট করে সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে যেকোনো দলকে সহায়তা করতে পারবে।

ইসি জানায়, সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইসি এসব আসনের ভোট আয়োজন করবে। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা। প্রতিটি রাজনৈতিক দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসন অনুযায়ী একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। একক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না। তবে প্রার্থী একের বেশি হলে ভোট নেওয়া হয় এবং সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীরাই নির্বাচিত হন।

আইন অনুযায়ী, শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দল বা জোট তাদের প্রার্থী তালিকা ইসিতে জমা দেয়। এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য শপথগ্রহণ করা সদস্যদের দলভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করে। জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত নারী আসন) আইন-২০০৪ অনুযায়ী, সংরক্ষিত আসনের তফসিল ঘোষণা করতে হয়। তফসিল ঘোষণার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়। ভোটগ্রহণের জন্য সংসদ ভবনেও কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে।